1 Answers
নারীর ক্ষতায়ন ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে সামাজিক পরিবর্তনের শিক্ষা, সংস্কৃতি, যোগাযোগ, প্রযুক্তি ও শিল্পায়ন উপাদানগুলোর ভূমিকা অনস্বীকার্য বলে উদ্দীপকের আলোকে ব্যক্তব্যটি যথার্থ হয়েছে।
সাধারণত নারী ক্ষমতায়ন বলতে সিন্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণকে বোঝায়। আর নারী ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি পেলে নারীর মর্যাদাও বৃদ্ধি পায়। এর মূলে রয়েছে সমাজের পরিবর্তনশীল প্রক্রিয়া। সমাজ পরিবর্তনের মূল উপাদানগুলো নারীর ভূমিকার পরিবর্তন এনে দিয়েছে। উদ্দীপকে শিক্ষা, প্রযুক্তি ও শিল্পায়নের মতো সামাজিক পরিবর্তনের উপাদানগুলো নারীর সামাজিক জীবন ও মর্যাদার ক্ষেত্রকে প্রভৃত পরিবর্তন এনে দিয়েছে। উদ্দীপকে উল্লিখিত ইসলামপুর গ্রামের নারীরা শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটিয়েছে, বিচার বিবেচনার ক্ষমতাকে জাগ্রত করেছে এবং সচেতন হয়েছে। তারা শিক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে নিয়োজিত হয়ে পরিবারে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অবদান 4 রেখে চলছে। এ কারণে রাষ্ট্রে তাদের পরিবারে, সমাজেও মতামতের গুরুত্ব বেড়েছে। এখন পোশাক শিল্প, ওষুধ তৈরির কারখানা টেলিযোগাযোগ শিল্পে চাকরি করছে। এছাড়াও আইন পেশা, শিক্ষকতা, পুলিশ, ডাক্তার ও বিচারকসহ বিভিন্ন পেশায় চাকরি করছে। এসবকিছু যোগাযোগ, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও শিল্পায়নের প্রভাবে সম্ভব হয়েছে। আজ নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করছে। একারণে নারীর ক্ষমতায় ও মর্যাদা দিন দিন বেড়েই চলছে। আর এসব কিছুর মূলে রয়েছে সামাজিক পরিবর্তনের উপাদান।
পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপকের সামাজিক পরিবর্তনের উপাদানগুলোই নারীর ক্ষমতায়ন ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।