1 Answers
উদ্দীপকে উল্লিখিত নালিবিহীন গ্রন্থি অর্থাৎ, অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির কথা বলা হয়েছে। অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি নিঃসৃত জৈব রাসায়নিক পদার্থ অর্থাৎ, হরমোন দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পিটুইটারি নিঃসৃত সোমাটোট্রপিক হরমোন দেহের স্বাভাবিক উদ্দীপক হরমোন থাইরক্সিন নিঃসরণে ভূমিকা রাখে যা বিপাক ও বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ এবং যৌনলক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে। গোনাডোট্রপিক হরমোন জনন অঙ্গের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। থাইরক্সিন-বিপাক ও বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ এবং যৌনলক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে। প্যারাথরমোন-ক্যালসিয়াম ও ফসফসরাসের বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। থাইমোসিন লিম্ফোসাইট প্রস্তুত ও অ্যান্টিবডি গঠন করে। ইনসুলিন রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে গেলে তাকে কমানো, গ্লাইকোজেন সংশ্লেষে সহায়তা করে। গ্লুকাগন-রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে গেলে তা বাড়ানো ও গ্লাইকোজেন সংশ্লেষে সহায়তা করে। অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি নিঃসৃত হরমোন-শর্করা বিপাক ও খনিজ লবণের বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে এবং যৌনলক্ষণ প্রকাশ করে। মেলাটোনিন-যৌন অঙ্গের সক্রিয়তা ঘটানো ও পুরুষদেহের যৌনাঙ্গের বৃদ্ধি ঘটায়। অ্যাড্রেনাল হরমোন-পুরুষদেহের যৌনাঙ্গের বৃদ্ধি ঘটায় এছাড়াও পুরুষদেহের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে সহায়তা করে এবং শুক্রাণু উৎপাদন অব্যাহত রাখে। ডিম্বাশয় গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত ইস্ট্রোজেন বয়ঃসন্ধিকালে স্ত্রী দেহের বিভিন্ন যৌনলক্ষণ প্রকাশ করে এবং রজঃচক্র নিয়ন্ত্রণ করে। প্রোজেস্টেরন স্ত্রীদেহে গর্ভাবস্থায় জরায়ু, ভূণ ও অমরার বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে।