1 Answers
উদ্দীপকে DNA টেস্ট এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমানে সুবিচার পাবার ক্ষেত্রে এ পদ্ধতিটি বিভিন্নভাবে সহায়তা করে। DNA টেস্ট সুসম্পন্ন করার জন্য প্রথমে প্রয়োজন জৈবিক নমুনা। ব্যক্তির হাড়, দাঁত, চুল, রক্ত, লালা, বীর্য ইত্যাদি বা টিস্যু জৈবিক নমুনা হতে পারে। অপরাধস্থল কিংবা অপরাধের শিকার এমন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রাপ্ত - জৈবিক নমুনার DNA নকশাকে তুলনা করা হয় সন্দেহভাজনের কাছ থেকে নেয়া রক্ত বা জৈবিক নমুনার DNA নকশার সাথে। এ পদ্ধতিতে প্রথমে নমুনা থেকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় DNA আলাদা করে নিতে হয়। পরে একাধিক সীমাবদ্ধ এনজাইম দিয়ে কেটে ছোট ছোট টুকরা করা হয়। এক বিশেষ পদ্ধতি ইলেকট্রোফোরেসিস এগারেজ বা পলিএক্রিলামাইড জেল এ DNA টুকরাগুলো তাদের দৈর্ঘ্য অনুসারে বিভিন্ন ব্যান্ড আকারে আলাদা করা হয়। এক ধরনের বিশেষ নাইট্রোসেলুলোজ কাগজে রেডিও অ্যাকটিভ আইসোটোপ DNA প্রোবের সাথে হাইব্রিডাইজ করে এক্স-রে ফিল্মের উপর রেখে অটোরেডিওগ্রাফ পদ্ধতিতে দৃশ্যমান ব্যান্ডের সারিগুলো নির্ণয় করা হয়। অপরাধস্থল থেকে প্রাপ্ত নমুনার সাথে সন্দেহভাজন নমুনার মিল ও অমিল চিহ্নিত করে তুলনা করা হয়। এ পদ্ধতি DNA ফিঙ্গার প্রিন্টিং নামে পরিচিত। বর্তমানে পলিমারেজ চেইন বিক্রিয়া বা PCR পদ্ধতিতে আরও নিপুণভাবে অল্প নমুনা ব্যবহার করে নির্ভুলভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে।
উপরিউক্ত আলোচনা হতে বলা যায় যে, সুবিচার পাবার ক্ষেত্রে পদ্ধতিটি অর্থাৎ DNA টেস্ট আইনকে বিশেষভাবে সহায়তা করছে।