1 Answers
কৃষি খামারে খামারীরা ঠাণ্ডা ঘরের ভেতর ছোট ছোট চারা রেখেছিল যেখানে একটি আলো জ্বালানো ছিল। খামারীরা লাভবান হওয়ার জন্য ফসলী উদ্ভিদে আগাম ফুল, ফল ধারণের লক্ষ্যে এমন পরিবেশে গাছগুলোকে রেখেছিল। উদ্ভিদে ফুল ধারণ অনেক সময় নির্ভর করে নিরবিচ্ছিন্ন আলোেক দৈর্ঘ্যের উপর। আবার আলো উদ্ভিদের বৃদ্ধি, বিকাশ এবং শাখা-প্রশাখা তৈরীতে ভূমিকা রাখে। উপযুক্ত বৃদ্ধি, বিকশিত ও শাখান্বিত উদ্ভিদে অধিক ফুল ও ফল ধারণ করে। উদ্দীপকের ঘরটিতে রাখা আলো এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
অন্যদিকে শৈত্য প্রদানের মাধ্যমে উদ্ভিদের ফুল ধারণকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে ছোট ছোট চারাগাছগুলোকে ঠান্ডা ঘরে রাখা হয়েছিল। শৈত্য বা ঠান্ডা প্রদানের মাধ্যমে ফুল ধারণকে ত্বরান্বিত করার এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ভার্নালাইজেশন। ভার্নালাইজেশনের কারণে উদ্ভিদ ভূণের অগ্রভাগে 'ভার্নালিন' নামক এক প্রকার পুষ্প উদ্দীপক হরমোন তৈরি হয়। এই ভার্নালিন পুষ্প প্রস্ফুটনে তথা ফল উৎপাদনে ভূমিকা রাখে।
সুতরাং অহনার দেখা গাছগুলোকে খামারীরা উক্ত পরিবেশে রেখেছিল অধিক ও আগাম ফুল-ফল ধরানোর লক্ষ্যে। এতে খামারীরা লাভবান হবে।