1 Answers

উদ্দীপকে ডাক্তারের শেষ উক্তিটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ বৃক্কে পাথর সৃষ্টি হলে রোগী যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকে। এ রোগে শরীর ফুলে যায়, প্রস্রাবে জ্বালা পোড়া করে। প্রস্রাবের সাথে অনেক সময় রক্ত যায়, কখনও বা প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যায়। রোগের তীব্রতায় কোমরের পিছনে ব্যথা দেখা দেয়। শুধু তাই নয় অনেক সময় কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। এ রোগে এমন বিভিন্ন ধরনের জটিলতা দেখা দেয়। সাধারণত শারীরিক ওজন অনেক বেড়ে গেলে, বৃক্ক কোনো রোগে আক্রান্ত হলে, কম পানি পান করলে, অতিরিক্ত প্রাণীজ আমিষ যেমন- মাংস, ডিম খেলে বৃক্কে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

কিন্তু সচেতন থেকে অর্থাৎ শারীরিক ওজন ঠিক রেখে, প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করে, প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রাণীজ আমিষ অর্থাৎ মাংস ও ডিম না খেয়ে এমনকি এ রোগে আক্রান্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে এ রোগের জটিলতা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

4 views

Related Questions