1 Answers
উদ্দীপকে রহিম সাহেব দুর্ঘটনায় আহত ছেলেটিকে রক্ত দিতে রাজি হওয়ায় ডাক্তার তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছিলেন- "আপনার মতো সবার রোগীর জন্য রক্ত দান করা উচিত"- উক্তিটির যথার্থতা রয়েছে। রক্তদান একটি মহৎ কাজ। আকস্মিক দুর্ঘটনা, শল্যচিকিৎসা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্য কোনো কারণে অত্যধিক রক্তক্ষরণ হলে দেহে রক্তের পরিমাণ আশংকাজনকভাবে কমে যায় এবং রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। জরুরিভিত্তিতে এই রক্তশূন্যতা দূর করার জন্য রোগীর দেহে অন্য মানুষের রক্ত দিতে হয়। তবে কোনো অবস্থাতেই রোগীর এবং দাতার রক্তের গ্রুপ ও প্রকৃতি পরীক্ষা না করে রোগীর দেহে রক্ত প্রবেশ করানো উচিত নয়। ব্যতিক্রম হলে নানা জটিলতা হয়ে রোগী মারা যেতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে যে, জরুরি ও মুমূর্ষ রোগীকে রক্তদানকালে রক্তদাতার কোনো ক্ষতি যেন না হয়। একজন সুস্থ মানুষের দেহে প্রতি সেকেন্ডে ২০ লক্ষ লোহিত কণিকা তৈরি হয়। এ ছাড়া দেখা গেছে একজন সুস্থ মানুষ প্রতি চার মাস অন্তর রক্তদান করলে দাতার দেহে সামান্যতম কোনো অসুবিধা সৃষ্টি হয় না। যেহেতু রক্তের কোনো বিকল্প নেই এবং জরুরি অবস্থায় মুমূর্ষ রোগীর প্রচুর রক্তের প্রয়োজন তাই এমন অবস্থায় রোগীর জন্য আমাদের সকলেরই রক্ত দান করা উচিত।