1 Answers
রিদম একজন শ্রবণ প্রতিবন্ধী।
রিদম ইশারায় ভাব বিনিময় করে, টিভির কাছে গিয়ে শব্দ শুনতে চেষ্টা করে। অর্থাৎ, সে শ্রবণ প্রতিবন্ধী। রিদমের বাবা-মা তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে তিনি বলেন, বাবা-মা সচেতন হয়ে তার পাশে থাকলে রিদমের সমস্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
রিদমের জন্মের আগে তার মা গর্ভাবস্থায় যদি পুষ্টিকর খাবার ও আয়োডিনযুক্ত লবণ খেতেন তাহলে এই সমস্যা প্রতিরোধ করা যেত। আয়োডিনযুক্ত লবণ শিশুর মানসিক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধিতা প্রতিরোধ করে। এছাড়া আরও কিছু বিষয় রয়েছে যা প্রতিবন্ধী শিশুর জন্মদানকে প্রতিরোধ করে। এগুলো হলো- গর্ভাবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ না খাওয়া, সিগারেট ও মাদক থেকে বিরত থাকা, গর্ভধারণের আগে জার্মান হাম বা রুবেলা ভাইরাস প্রতিরোধের টিকা নেওয়া, বেশি বয়সে সন্তান ধারণ থেকে বিরত থাকা, রক্তের সম্পর্কের মধ্যে বিয়ে না করা, রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারে সাবধানতা অবলম্বন করা। এছাড়া গর্ভাবস্থায় বিপজ্জনক পরিবেশে কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
শিশু জন্মের পর পর শালদুধ খাওয়াতে হবে, শিশু যদি কানে আঘাত পায় বা কোনো রোগের সংক্রমণ হয় তাহলে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।
রিদমের জন্মের পূর্বে ও পরে উল্লিখিত বিষয়গুলো যদি তার বাবা-মা মেনে চলতেন তাহলে রিদম শ্রবণ প্রতিবন্ধিতার শিকার হতো না।