1 Answers

বিভিন্ন ধরনের জীবাণুর সংক্রমণে দেহের স্বাভাবিক অবস্থার অবনতি হয়ে মানবদেহে নানা রকম রোগের সৃষ্টি হয়। বর্তমানে আধুনিক চিকিৎসার কল্যাণে এসব রোগের বেশির ভাগই নিরাময় করা গেলেও এমন কিছু রোগ আছে যা একটি পর্যায়ে গিয়ে আর নিরাময়যোগ্য থাকে না। এরকমই একটা রোগ হলো ক্যান্সার যা রাশেদের শ্বসন অঙ্গে ছড়িয়ে পড়েছে। অন্যদিকে Mycobacterium tuberculosis নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে যক্ষ্মা রোগ হয় যা অন্ত্র, হাড়, ফুসফুস ইত্যাদি দেহের বিভিন্ন স্থানে হতে পারে। কাজেই জামিলের রোগের বিস্তারের প্রকৃতি দেখে বুঝা যাচ্ছে তার যক্ষ্মা হয়েছে। বেশ কিছু প্রতিকার ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগীর চিকিৎসা করা যায় ও দেহকে সুস্থ রাখা যায়। যেমন শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিষেধক বি.সি.জি টিকা দিলে ভবিষ্যতে আর এ রোগ হবে না। আর যক্ষ্মা রোগ হয়ে গেলে কিছু নিয়মকানুন মেনে চলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ঔষধ সেবন তথা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিলে যক্ষ্মা রোগ নিরাময় হয়। এভাবেই জামিলের রোগটি নিরাময় করা যায়। অন্যদিকে রাশেদের ফুসফুসীয় ক্যান্সার হওয়ায় তার শ্বসন অঙ্গের কোষসমূহের বিভাজন অনিয়ন্ত্রিত হয়ে তা অস্বাভাবিকভাবে বিভাজিত হচ্ছে। এরূপ ফুসফুসের ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণগুলো যত দ্রুততার সাথে নির্ণয় করা যায় এবং চিকিৎসা প্রদান করা যায়, রোগীর বেশি দিন বেঁচে থাকার সম্ভাবনা তত বৃদ্ধি পায়। নচেৎ এটি মারাত্মক আকার ধারণ করে রোগীর মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কাজেই রাশেদের ক্যান্সার রোগ অপেক্ষা জামিলের যক্ষ্মা রোগটির নিরাময় তুলনামূলকভাবে সহজতর।

5 views

Related Questions