1 Answers

সোমা ও সাথী কাপড়ে রং করার জন্য যথাক্রমে টাইডাইয়ের ডোরা ও ভাঁজ করে বাঁধা পদ্ধতিটি ব্যবহার করেছিল।

টাইডাই পদ্ধতিতে এক টুকরো কাপড়কে শক্ত করে বেঁধে রঙে ডোবানো হয়। রঙে কাপড় ডোবালে খোলা অংশে রং বসে ও বাঁধা অংশের ভেতরে রং ঢুকতে পারে না। তবে বাঁধা অংশের ভেতরে রং প্রবেশের চেষ্টা করে সুন্দর একটি নকশা সৃষ্টি হয়। টাইডাই করার ক্ষেত্রে খুব শক্ত করে সুতার বাঁধন দিয়ে ডিজাইন সৃষ্টি করা হয়। এ বাঁধন বিভিন্নভাবে দেওয়া হয়।

ডোরা বাঁধন পদ্ধতিতে পেনসিল দিয়ে লম্বা সরলরেখা এঁকে রেখা বরাবর মোটা সুতা দিয়ে বড় বড় কাঁথা স্টিচ দিয়ে সুতা টেনে শক্ত করে গিট দিয়ে এর উপরে-নিচে আরো শক্ত করে গিঁট দিতে হয়। অপরদিকে ভাঁজ করে বাঁধা পদ্ধতিতে প্রয়োজনমতো ভাঁজ দিয়ে একটি বাঁধন বেঁধে দিতে হয়। 

উপরোক্ত দুটি পদ্ধতির মধ্যে ডোরা বাঁধন পদ্ধতিতে কাপড়ে সেলাই, টেনে বাঁধা, শক্ত গিঁট দেওয়া, গিঁটের উপর-নিচে আবার শক্ত বাঁধন দেওয়া ইত্যাদি সময় সাপেক্ষ কাজগুলো করতে হয়। এতে শক্তিও বেশি খরচ হয়। অপরদিকে ভাঁজ করে বাঁধা পদ্ধতিতে ইচ্ছেমতো বাঁধন বেঁধে নকশা করা হয় বলে, সময় ও শক্তি উভয়েরই সাশ্রয় হয়।

তাই বলা যায় সোমা ও সাথীর ব্যবহৃত পদ্ধতি দুটির মধ্যে ডোরা বাঁধন পদ্ধতিতে সময় ও শক্তি বেশি এবং ভাঁজ করা বাঁধন পদ্ধতিতে কম খরচ হয়।

4 views

Related Questions