1 Answers
মুসা খান বারোভূঁইয়াদের মাঝে অন্যতম। তার বিদ্রোহ মুঘল সাম্রাজ্যকে ব্যতিব্যস্ত রেখেছিল।
১৫৯৯ খ্রিষ্টাব্দে ঈসা খানের মৃত্যুর পর বারোভূঁইয়াদের নেতা হয়েছিলেন তার পুত্র মুসা খান। তাকে পরাজিত করার জন্য মানসিংহকে পাঠানো হয়। ১৬০৩ খ্রিষ্টাব্দের এক নৌযুদ্ধে মুসা খান মানসিংহের নিকট পরাজিত হন। কিন্তু তাকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করা সম্ভব হয়নি। সুবাদার ইসলাম খান বাংলার সুবাদারির দায়িত্ব নিয়ে বারোভূঁইয়াদের দমন করার লক্ষ্যে মুসা খানকে দমন করার উদ্যোগ নেন। কারণ তিনি জানতেন তাকে পরাজিত করতে পারলেই বাংলার অন্যান্য জমিদারদের দমন করা যাবে। এ লক্ষ্যে তিনি সোনারগাঁওয়ের অদূরে ঢাকায় তার রাজধানী স্থাপন করেন। ইসলাম খান, মুসা খান ও অন্যান্য জমিদারদের পরাজিত করে ১৬১০ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকায় প্রবেশ করে ঢাকাকে রাজধানী ঘোষণা করেন। ইসলাম খানের সাথে মুসা খানের নেতৃত্বে অন্য জমিদারদের যুদ্ধ চলতে থাকে। ১৬১১ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে কদম রসুলসহ অন্যান্য দুর্গ মুঘলদের অধিকারে আসে। এ অবস্থায় মুসা খান সোনারগাঁওয়ে আসেন। রাজধানীও নিরাপদ নয় ভেবে তিনি মেঘনা নদীর একটি দ্বীপে আশ্রয় নেন। মুঘলরা এক সময় সোনারগাঁও দখল করলে অন্য জমিদাররা আত্মসমর্পণ করেন। মুসা খানও এক পর্যায়ে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেন।