1 Answers

উদ্দীপকে রাশেদা চৌধুরীর পাঠ করা চর্যাপদ গ্রন্থটি বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন।

অপভ্রংশ ভাষা হতে অষ্টম বা নবম শতকে সৃষ্টি হয় বাংলা ভাষার। নবম ও দশম শতকের পূর্বে বাংলা ভাষার রূপ কেমন ছিল তা জানা যায় না। তবে এ সময়কালে বাংলায় সংস্কৃত ছাড়াও শৌরসেনী অপ্রভ্রংশ এবং মাগধী অপভ্রংশের স্থানীয় গৌড়-বঙ্গীয় রূপ অর্থাৎ আরও দুটি ভাষার প্রচলন ছিল। এগুলোকে বলা হয় প্রাচীনতম বাংলা ভাষা। সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যরা এ দু'ভাষাতেই পদ, দোহা ও গীত রচনা করতেন। তাদের এ রচনাগুলোকে 'চর্যাপদ' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। চর্যাপদের রচয়িতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- লুইপা, কাহ্নপা, কম্বলাম্বরপা, শবরপা, আজদেব প্রমুখ। কার্যত চর্যাপদের ভাষারীতিকে বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন মনে করা হয়।

উদ্দীপকের বর্ণনাতেও দেখা যায়, রাশেদা চৌধুরী চর্যাপদ গ্রন্থটি পাঠ করেন। এটি বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন।

4 views

Related Questions

মাতৃভাষা মানুষের সবচেয়ে প্রিয় এবং তা মনোভাব প্রকাশের জন সবচেয়ে বেশি উপযোগী । অন্য কোন ভাষায় মনোভাব প্রকাশ করে পরিপূর্ণ আনন্দ পাওয়া যায় না। প্রথিবীতে মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য অসংখ্য ভাষার সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেক জাতির মাতৃভাষার নিজস্ব একটা বৈশিষ্ট্য আছে এবং মাতৃভাষার সাঙ্গে এমন একটি আত্মিক সম্পর্ক থাকে যে, সেই ভাষাই তার মনোভাব প্রকাশের সর্বোত্তম বাহন হিসেবে বিবেচিত হয়। বিদেশী ভাষা কষ্টে আয়ত্ত করা গেলেও তার মর্ম যথার্থ উপলব্ধি করা যায় না িএবং তাতে মনোভাব প্রকাশেরর যথেষ্ট অন্তরায় থাকে। তাই পৃথিবীতে অসংখ্য ভাষার মধ্যে মাতৃভাষাই সবচেয়ে আপনি এবং মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ পন্থা। বাঙালিদের কাছে বাংলা ভাষাই মনোভাব প্রকাশের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। কারণএটি বাঙালির মাতৃভাষা । বাঙালির রক্তে মাংসে মজ্জায় বাংলা ভাষা মিশে আছে। বাঙালিরা পরভাষা চর্চা করে বেট, কিন্তু বাংলাতেই তার যত স্বচ্ছন্দ্য। (Translation Bengali to English)
1 Answers 6 Views