1 Answers

মিনির বাবা-মার আচরণের সাথে প্রাচীন বাংলার জাতিভেদ প্রথার মিল রয়েছে।

প্রাচীনকালে বাংলায় ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্র; এ চার প্রকার বর্ণ ছিল। সমাজে তাদের প্রত্যেকেরই নির্দিষ্ট পেশা ছিল। অধ্যয়ন, অধ্যাপনা ও পূর্জা- পার্বণ করা ছিল ব্রাহ্মণদের কাজ। ক্ষত্রিয়দের পেশা ছিল যুদ্ধ করা। আর ব্যবসা-বাণিজ্য করা ছিল বৈশ্যদের কাজ। সবচেয়ে নীচু শ্রেণির শূদ্ররা উঁচু শ্রেণির সেবা, কৃষিকাজ, মাছ শিকার ইত্যাদি কাজ করত। জাতিবর্ণ প্রথা অনুসারে এক বর্ণের সাথে অন্য বর্ণের মানুষের বিয়ে হতো না। ব্রাহ্মণরা সাধারণত অন্য কোনো জাতির সাথে মিশত না।

উদ্দীপকে মিনির বাবা-মা যেহেতু দুজনই অধ্যাপক সেহেতু তারা ব্রাহ্মণ। অন্যদিকে মায়া যেহেতু গৃহকর্মী সেহেতু তাকে শূদ্র ধরে নেয়া যায়। উপরের আলোচনায় আমরা দেখি, ব্রাহ্মণরা কারো সাথে মিশে না। তাই তারা তাদের মেয়ে মিনিকে গৃহকর্মীর সাথে মিশতে দিতে চায় না, যা জাতিভেদ প্রথাকেই নির্দেশ করে। তাই বলা যায়, মিনির বাবা-মার আচরণে প্রাচীন বাংলার জাতিভেদ প্রথার বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে।

4 views

Related Questions