1 Answers
উদ্দীপকে বর্ণিত তথ্যে বাংলায় প্রাচীন যুগের অর্থনৈতিক অবস্থার চিত্র ফুটে উঠেছে।
প্রাচীনকাল থেকেই বাংলার মানুষ কৃষিজীবী। প্রাচীন বাংলায় অধিকাংশ মানুষই গ্রামে বসবাস করত এবং গ্রামের আশপাশের ভূমি চাষ করেই সংসার চালাত। জমি চাষাবাদ ও ভোগ করার বিনিময়ে তাদের কর প্রদান করতে হতো। ভূমিকর ছাড়াও তখন অন্যান্য করের প্রচলন ছিল। প্রাচীনকাল থেকেই বাংলা কৃষির জন্য প্রসিদ্ধ ছিল। তাই এ দেশের অর্থনীতি গড়ে উঠেছে ভূমির ওপর নির্ভর করে। এছাড়া কুটিরশিল্প এসময় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বস্ত্রশিল্প প্রাচীন বাংলার অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে। বিশ্বখ্যাত মসলিন কাপড় প্রাচীনকাল থেকেই বাংলায় তৈরি হতো। প্রাচীন বাংলার অর্থনীতিতে ব্যবসা-বাণিজ্যের উপস্থিতিও লক্ষ করা যায়। এ দেশে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ছাড়াও বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রচলন ছিল। ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারের ফলে বাংলার ধন- সম্পদ ও ঐশ্বর্য প্রচুর বৃদ্ধি পেয়েছিল।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, বাংলা চিরকালই কৃষিপ্রধান দেশ। একসময় কুটিরশিল্পে এ অঞ্চল অত্যন্ত সমৃদ্ধ ছিল। কৃষি ও শিল্পদ্রব্যেরও প্রাচুর্য ছিল। উদ্দীপকের এ তথ্য পূর্বোক্ত আলোচনার সাথে তুলনা করলে প্রতীয়মান হবে যে, উদ্দীপকে প্রাচীন যুগের অর্থনৈতিক অবস্থার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি প্রাচীন যুগের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।