1 Answers

উদ্দীপকটি প্রাচীন বাংলার শাসনব্যবস্থার সাথে প্রশাসনিক দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।

পাল বংশের প্রতিষ্ঠার সাথে সাথে বঙ্গে নতুন যুগের সূচনা হয়। পাল যুগে শাসন-ব্যবস্থার মূল ছিল রাজতন্ত্র এবং কেন্দ্রীয় শাসন বিভাগের প্রধান ছিলেন রাজা স্বয়ং। তবে এ সময়ে শাসনব্যবস্থায় কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। এ সময় হতে সর্বপ্রথম একজন প্রধানমন্ত্রী বা প্রধান সচিবের উল্লেখ পাওয়া যায় যিনি ছিলেন সর্বপ্রধান রাজ কর্মচারী। রাজ্যের সকল প্রকার শাসনকার্যের জন্য কতকগুলো নির্দিষ্ট শাসন বিভাগ ছিল। প্রত্যেকটি বিভাগের জন্য একজন অধ্যক্ষ নিযুক্ত থাকতেন। রাজা, মন্ত্রী ও আমার্ত্যগণের সাহায্যে কেন্দ্রীয় শাসন পরিচালিত হতো এবং বিভিন্ন রকমের রাজস্ব আদায়ের জন্য বিভিন্ন শ্রেণির কর্মচারী নিযুক্ত ছিল।

উদ্দীপকে শপথ নেয়ার পরপরই রাজা রাধারমণকান্ত সরকারি কাজকে কতকগুলো বিভাগে ভাগ করেন এবং প্রত্যেক বিভাগের দায়িত্ব দেয়া হয় একজন মন্ত্রীকে। এছাড়া তিনি তার কাজে সাহায্যের জন্য একজন প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন। তেমনি উপরের আলোচনায় প্রাচীন বাংলার শাসনব্যবস্থায় দেখা যায় রাজ্যের শাসন-কার্যের সুবিধার জন্য শাসন বিভাগকে কয়েকটি নির্দিষ্ট ভাগে ভাগ করা হয়েছে। উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে তাই বলা যায়, উদ্দীপকটি প্রাচীন বাংলার শাসন ব্যবস্থার সাথে গঠনগত প্রশাসনিক দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ।

4 views

Related Questions