1 Answers
উদ্দীপকের জনাব কুদ্দুস মিয়া সিন্ধু সভ্যতার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে শস্যাগার তৈরি করেছেন।
সিন্ধু সভ্যতার হরপ্পা নগরীতে যে বিরাট আকারের শস্যাগার পাওয়া গেছে তা ওই সভ্যতার সবচেয়ে আকর্ষণীয় ইমারত। এই শস্যাগারকে 'কোষাগার' বলা হতো। ইরাবতী নদীর তীরে ৪ ফুট উঁচু ভিতের ওপর নির্মিত শস্যাগারটিতে দুই সারিতে মোট ৬টি করে ১২টি ভান্ডার ছিল। মর্টিমার হুইলারের মতে, সমগ্র শস্যাগারটিতে ৯০০ বর্গ ফুট স্থান ছিল। সেখানে সারা বছরের জন্য শস্য মজুদ করে রাখা হতো। শস্য যাতে নষ্ট না হয়, সেজন্য ঘরে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা ছিল।
উদ্দীপকের জনাব কুদ্দুস ফসল রাখার জন্য একটি বিরাট শস্যাগার তৈরি করেন। শস্য যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য এখানে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা হয়। উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, এটি সিন্ধু সভ্যতার অভিজ্ঞতার আলোকেই গড়া।