1 Answers
হ্যাঁ, আমি মনে করি, উক্ত সভ্যতা অর্থাৎ সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ এবং চমৎকার স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন রেখেছে।
সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরাই এ অঞ্চলে প্রথম আধুনিক বাড়িঘর তৈরি করেছিলেন। সেখানে দুই থেকে পঁচিশ কক্ষের বাড়ির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। আবার কোথাও দুই-তিন তলা বাড়ির সন্ধানও পাওয়া গেছে। মহেঞ্জোদারোর স্থাপত্যের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো ৮০ ফুট জায়গা জুড়ে নির্মিত 'বৃহৎ মিলনায়তন'। এছাড়া সেখানে 'বৃহৎ স্নানাগার'-এর নিদর্শনও পাওয়া গেছে। সিন্ধুসভ্যতায় নির্মিত শহরগুলো পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী উঁচু ভিতের উপর নির্মাণ করা হয়েছিল। শহরগুলোর এক পাশে উঁচু ভিত্তির উপর একটি করে নগর দুর্গ নির্মাণ করা হতো। ভাস্কর্যশিল্পেও এ সভ্যতার অধিবাসীদের দক্ষতা ছিল। পাথুরে খোদিত ভাস্কর্যগুলোর শৈল্পিক ও কারিগরি মান ছিল উল্লেখযোগ্য। এ যুগে ভাস্কর্যশিল্পের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য শিল্পকর্ম ছিল হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোতে প্রাপ্ত বিচিত্র ধরনের প্রায় ২৫০০ সিল।
তাই আমি মনে করি, সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা চমৎকার স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন রেখেছে যা ঐ সভ্যতাকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।