1 Answers
উদ্দীপকে যে সভ্যতার ইঙ্গিত রয়েছে তা হচ্ছে সিন্ধু সভ্যতা। ভাস্কর্য শিল্পে উক্ত সভ্যতার যথেষ্ট অবদান রয়েছে।
ভাস্কর্য শিল্পে সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীদের অতুলনীয় দক্ষতা ছিল। সিন্ধু সভ্যতায় পাওয়া পাথরে খোদিত ভাস্কর্যের সংখ্যা কম হলেও সেগুলোর শৈল্পিক মান ও কারিগরি দক্ষতা ছিল উল্লেখ করার মতো। এ যুগে মোট ১৩টি ভাস্কর্য মূর্তি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১১টি শ্মশ্রুমণ্ডিত এবং আলখাল্লা ধরনের পোশাক পরা। ধারণা করা হয়, এগুলো কোনো পুরোহিত শাসকের হয়ে থাকবে। চুনাপাথরের তৈরি একটি মূর্তির মাথা পাওয়া গেছে, যাতে পাথর কেটে চমৎকার ঢেউ খেলানো চুল তৈরি করা হয়েছে। এ ভাস্কর্যের ঠোঁট আর কানের গড়ন ছিল নিখুঁত।
মহেঞ্জোদারোতে পাওয়া গেছে নৃত্যরত নারীমূর্তি, যার বাম হাতের পুরোটাই ছিল বালা দিয়ে ঢাকা। মূর্তিটির চোখ, নাক, আর কোঁকড়ানো চুল সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এ ছাড়া মাটির তৈরি ছোট ছোট মানুষ এবং পশুমূর্তিও পাওয়া গেছে। হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোর উল্লেখযোগ্য শিল্পকর্ম হলো বিভিন্ন ধরনের প্রায় ২৫০০ সিল।
উপরের আলোচনায় সুস্পষ্ট যে, সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা নগর পরিকল্পনার পাশাপাশি ভাস্কর্য শিল্পেও অসামান্য দক্ষ ছিল।