1 Answers

লাইজুর বাবার ধারণার সাথে আমি একমত। 

কোনো খাদ্যবস্তু পোড়ালে সে সাদা ছাই অবশিষ্ট থাকে তাকে খনিজ পদার্থ বা অজৈব লবণ বলে। দেহ গঠনে প্রোটিনের পরেই খনিজ পদার্থের স্থান। দেহের উপাদানের শতকরা প্রায় ৯৬ ভাগ জৈব এবং ৪ ভাগ অজৈব পদার্থ। ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাগনেসিয়াম, লৌহ, আয়োডিন ইত্যাদি খনিজ পদার্থ দেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খনিজ পদার্থ বা অজৈব লবণকে পরিমাণের ভিত্তিতে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

প্রধান খনিজ লবণ : অজৈব পদার্থের মধ্যে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, গন্ধক প্রাণিদেহে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে থাকে। এগুলোকে প্রধান খনিজ লবণ বলে। 

লেশ মৌল খনিজ লবণ: লৌহ, আয়োডিন, ক্লোরিন, জিংক, ম্যাঙ্গানিজ, তাম, মলিবডেনাম ইত্যাদি খুব সামান্য পরিমাণে দেহের পুষ্টি কাজে অংশ নেয় বলে এসব মৌলকে লেশ মৌল বলে।

দুধ, দই, ছানা, পনির, হাড়, কাঁটাসহ ছোট মাছ, কলমি শাক, পুঁইশাক, কচুশাক, লাল শাক, বাঁধাকপি, ফুলকপি ইত্যাদিতে ক্যালসিয়াম থাকে। ফসফরাসের উৎস হলো- দুধ, ডিম, মাংস, মাছ, শাকসবজি, ডাল, ঢেঁকি ছাটা সিদ্ধ চাল, মটরশুঁটি, গাজর ইত্যাদি। 

লাইজু কচুশাক, দই, ছানা এগুলো খেতে চায় না।

তার বাবা লাইজুকে বলেন মানবদেহে ৪ ভাগ অজৈব পদার্থ এসব খাবার থেকে পাওয়া যায়। এগুলো হলো ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, পটাসিয়াম ইতাদি। সুতরাং, তার বাবার বক্তব্যটি যথার্থ বলে আমিও তার বাবার ধারণার সাথে একমত।

4 views

Related Questions