1 Answers
উদ্দীপকে ডাক্তার বলেন গর্ভধারণের সময় মায়ের বয়স ও সঠিক পরিচর্যা সুস্থ শিশু জন্মদানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
গর্ভাবস্থায় গর্ভবতী মায়ের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা এবং গর্ভের পরিবেশ শিশুর বিকাশকে প্রভাবিত করে। গর্ভাবস্থায় নানা কারণে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হয়ে শিশু প্রতিবন্ধী হতে পারে। আবার বেশি বয়সে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির স্বাভাবিক কার্যাবলি হ্রাস পায়। তাই ৩৫ বছরের পর যেসব মহিলা প্রথম সন্তান জন্ম দেন, সেসব শিশুর প্রতিবন্ধী হওয়ার আশঙ্কা থাকে। গর্ভাবস্থায় মাকে পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। তা না হলে শিশু কম ওজনের হবে। শিশুর বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা প্রতিরোধের জন্য গর্ভাবস্থায় মাকে আয়োডিনযুক্ত লবণ খেতে হবে। গর্ভাবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ গ্রহণ করা যাবে না। এছাড়া মাদক ও ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে। বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতা প্রতিরোধের জন্য গর্ভধারণের আগে রুবেলা ভাইরাস প্রতিরোধক টিকা নিতে হবে। মাকে শাকসবজি, ফলমূল পর্যাপ্ত পরিমাণে খেতে হবে। তাকে দৈনিক ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। এছাড়া গর্ভাবস্থায় বিপজ্জনক কর্ম পরিবেশে কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
মিসেস লাকি ৩৮ বছর বয়সে একটি মেয়ের জন্ম দেন। তার মেয়েটি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। তার সহকর্মীর একটি ছেলে আছে। সে শ্রবণ প্রতিবন্ধী। ডাক্তারের কাছে গেলে তিনি এ প্রেক্ষিতে বলেন গর্ভধারণের সময় মায়ের বয়স ও সঠিক পরিচর্যা সুস্থ শিশুর জন্মদানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সুতরাং, ৩৫ বছর বয়সের আগে সন্তান জন্মদান করলে এবং উপরিউক্ত বিষয়গুলো মেনে চললে প্রতিবন্ধী শিশুর জন্মদান প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে।