1 Answers

রনি একজন দৃষ্টি ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী। বাবা-মা রনির জন্মের পূর্বে ও পরে যে বিষয়গুলোর প্রতি সচেতন হলে তার প্রতিবন্ধিতা রোধ করতে পারতো তা নিম্নে আলোচনা করা হলোঃ

জন্মের পূর্বে করণীয়: রনির জন্মের পূর্বে অর্থাৎ, গর্ভাবস্থায় তার মায়ের পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা উচিত ছিল। কারণ শিশুর জন্য মাতৃগর্ভের প্রথম দিকের সময়টি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে পুষ্টির অভাব দেখা দিলে শিশুর মধ্যে বিভিন্ন প্রতিবন্ধিতা দেখা দিতে পারে। রনির মায়ের গর্ভাবস্থায় আয়োডিনযুক্ত লবণ গ্রহণ করা উচিত ছিল যা শ্রবণ প্রতিবন্ধিতা প্রতিরোধে সহায়ক। এছাড়া ওষুধ গ্রহণে সতর্কতা, প্রতিষেধক টিকা গ্রহণ, স্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস ইত্যাদি বিষয়গুলো মেনে চলা উচিত ছিল।

জন্মের পরে করণীয়: জন্মের পর পর রনিকে শালদুধ খাওয়ালে তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেত। রনির জন্মের পর স্বাস্থ্যকর পরিবেশ রক্ষা, বিপজ্জনক পরিবেশ থেকে তাকে দূরে রাখা ইত্যাদি বিষয়ে তার মা-বাবার সতর্ক থাকতে হতো। এছাড়া তাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন 'এ' যুক্ত খাবার খাওয়াতে হতো। শিশুদের শাকসবজি (পুঁই, পালং, লালশাক, মিষ্টিকুমড়া ইত্যাদি) ও হলুদ ফলমূল (পাকা কলা, আম ইত্যাদি) খাওয়ালে এই প্রতিবন্ধিতা প্রতিরোধ করা যায়। উল্লিখিত বিষয়ে সচেতন হলে রনির বাবা-মা তার এ প্রতিবন্ধিতা রোধ করতে পারতো।

5 views

Related Questions

যুদ্ধ, নিপীড়ন, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বাঁচতে আজ সারা বিশ্বে ৮ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। বাস্তুচ্যুত মানুষের এ সংখ্যাা বাংলাদেশের জনসংখ্যা র প্রায় অর্ধেক । সারা বিশ্বের বাস্তুচ্যুতির প্রধান পাঁচটি উৎসদেশের একটি হচে।ছ মায়নমার। সেখান থেকে ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় দেয়। এই শরণার্থীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়: কিনুত তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা – এসব কিছুই সম্ভব নয় আন্তর্জাতিক মহলের একট সার্বিক উদ্যোগ ছাড়া। তার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ তাদের সুরক্সা, সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নোয়াখালীর ভাসানচরে তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা একটি স্বতন্ত্র আবাসস্থল নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রত্যেক শরণার্থীর রয়েছে ব্যক্তিগত দুঃখ –কষ্ট , বঞ্চনা ও যন্ত্রণার ইতিহাস। বাংলাদেশে আশ্রিত এসব রোহিঙ্গা নিয়মিত সংগ্রাম করে যাচ্ছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তারা আশাবাদী, একদিন তারা নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যেতে পারবে। (Translate to English)
1 Answers 8 Views