1 Answers

উদ্দীপকের শ্রেয়া রমনার কালী মন্দিরে ভজন শুনতে গিয়ে মীরাবাঈ সম্পর্কে জানতে পারে। চিতোরের ভোজরাজার সাথে বিবাহের পর তিনি রাজমহিষী হন। কিন্তু মীরাবাঈ ছোটবেলা থেকেই কৃষ্ণের পূজা-অর্চনায় বেশি মনোযোগী ছিলেন। বিবাহের পরও ভজন-পূজনে রাতদিন ব্যস্ত থাকতে সংসারের প্রতি কোনো আগ্রহ ছিল না। এতে আত্মীয়পরিজন ও প্রাসাদের লোকজন নিন্দা ও সমালোচনা শুরু করে। তবুও রাজবেশে তিনি যেন এক সর্বত্যাগিনী তপস্বিনী। ভোজরাজ স্ত্রীকে ভজন-পূজনে সার্বিক সহযোগিতা করতেন। মীরাবাঈ জাগতিক সবকিছুর ঊর্ধ্বে ওঠে যান। দৈহিক রূপলাবণ্য, পার্থিব বিষয়-আশয়, সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য তার চিত্তকে আকর্ষণ করে না। সবকিছু ছেড়ে কাম্য বস্তুকে লাভ করার জন্য একাগ্রচিত্তে সাধনা করেন। সে সাধনায় তিনি সফল হন। রাজবধূ মীরার কৃষ্ণপ্রেমের ব্যাকুলতার কথা চিতোরের সাধারণ মানুষ এবং সাধু-সন্ন্যাসীরা জেনে যায়। তারা মীরাকে রাজমহিষী নয়, বরং ভক্তি-সাধিকা মীরাবাঈ বলে জানলেন। মীরার সুমধুর কণ্ঠের সংগীত এবং প্রেম সাধনার কথা সমস্ত স্থানেই প্রচারিত হতো। তার ভজন সংগীতধারা হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতির সৃষ্টি করে। এভাবে মীরা ভক্তি সাধিকা মীরাবাঈ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

4 views

Related Questions