1 Answers
উদ্দীপকে শুভর মধ্যে আমার পাঠ্যবইয়ের শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের গুণাবলি বিদ্যমান। তিনি তার সাধনার দ্বারা সর্বক্ষেত্রে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন।
উদ্দীপকে শুভর মাঝে সদা প্রসন্নভাব বিরাজমান। প্রকৃতিকে সে খুব ভালোবাসে। প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে সে চিন্তা করতে করতে ভাবাবিষ্ঠ হয়ে পড়ে। ভজনকীর্তনের প্রতি তার আকর্ষণ অনেক বেশি। পরবর্তীতে তার বাবা মারা যাওয়ার পর তার জীবনে অভূতপূর্ব পরিবর্তন আসে। কখনো শ্মশানে, নির্জন জায়গায় গিয়ে সময় কাটায়। তারপর একটি সময় সে দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরে গিয়ে ভবতারিনীর পূজায় মনপ্রাণ ঢেলে দেয়। আমার পাঠ্যপুস্তকের শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের মধ্যে শুভর সমস্ত গুণাবলি বিদ্যমান। তাই শুভ শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবেরই প্রতিচ্ছবি। শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেব মানুষের জাতি, কুল, মান, শিক্ষা, প্রতিপত্তি ইত্যাদি দেখতেন না। তিনি দেখতেন মানুষের অন্তর। তাঁর কাছে উঁচুনিচু কোনো ভেদাভেদ ছিল না। তিনি ইসলাম খ্রিষ্টধর্মমতে সাধনা করেছেন। এভাবে বিভিন্ন ধর্ম সাধনার মাধ্যমে তিনি এক ঈশ্বরকে উপলব্ধি করেছেন। তাঁর মতে সকল ধর্মের জীবনের উদ্দেশ্য হচ্ছে ঈশ্বরকে উপলব্ধি করা। ধর্মসমূহের পথ ভিন্ন হলেও সকলেরই উদ্দেশ্য এক তা হলো ঈশ্বরলাভ। তাই তিনি উদার কণ্ঠে বলেছেন 'সকল ধর্মই সত্য'। এভাবে সর্বক্ষেত্রে সাধনায় তিনি সিদ্ধিলাভ করেন।