1 Answers
উদ্দীপকের সমীরণবাবুর মধ্যে রাজা রন্তিবর্মার চারিত্রিক গুণাবলি ফুটে উঠেছে।
রন্তিবর্মা ছিলেন একজন রাজা। তিনি অযাচক বৃত্তি গ্রহণ করেছিলেন। তখন তিনি আটচল্লিশ দিন উপবাসে কাটান। পরে তার জন্য আহার আসে। কিন্তু এক ক্ষুধার্ত ভিক্ষুক তার সামনে এলে তিনি নিজের ক্ষুধার কথা ভুলে যান। ভিক্ষুককে তার আহারটুকু দিয়ে দেন। বস্তুত তার মাঝে মানবতাবোধ ছিল বলেই তিনি এই দান করতে পেরেছিলেন। অসহায়কে সাহায্য করা, নিরন্নকে অন্ন, বস্ত্রহীনে বস্ত্র, তৃষ্ণার্তকে জল, দৃষ্টিহীনে দৃষ্টি, রূপকে ওষুধ, গৃহহীনে গৃহ, শোকার্তকে সান্ত্বনা দান করা মানবতারই আরেক নাম। মানবতা গুণের দ্বারা মানুষের মহত্ত্ব প্রকাশ পায়।
উদ্দীপকেও দেখা যায়, সমীরণবাবুর টাকা-পয়সার অভাব না থাকলেও তিনি ভালো মনের মানুষ। তিনি নিজে না খেয়ে অন্যের মুখে খাবার তুলে দেন। সারাজীবনের কষ্টের উপার্জন শ্রীকৃষ্ণের পায়ে সমর্পণ করেন। উক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, সমীরণবাবুর মধ্যে রাজা রন্তিবর্মার চারিত্রিক গুণাবলি ফুটে উঠেছে।