1 Answers

বিরাজ বাবুর জীবনাদর্শ পাঠ্যবইয়ের শ্রীবিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর চরিত্রের সাথে সম্পর্কিত।

বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী শান্তিপুর টোলের পড়াশুনা শেষ করে উচ্চ শিক্ষার জন্য কোলকাতা সংস্কৃত কলেজে ভর্তি হন। কিছুকাল পড়ার পর তিনি মেডিকেলে ভর্তি হন। তখন তিনি 'হিতসঞ্চারিণী' সভা স্থাপনের মাধ্যমে বর্ণভেদ প্রথায় আঘাত করেন। পরবর্তীতে ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করে ঢাকা, বরিশাল, যশোর, খুলনা এবং ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে তিনি ব্রাহ্মধর্ম প্রচার করেন। তাছাড়া নিজের ভবিষ্যতের কথা না ভেবে দেশ ও বিদেশে বিভিন্ন অঞ্চলে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের ধর্মপথে আনার চেষ্টা করেন। ১৩০৪ সালের ফাল্গুন মাসে তিনি শ্রীক্ষেত্র পুরী চলে যান। সেখানে অতি অল্প সময়েই তিনি পরিচিত হয়ে উঠেন। উড়িষ্যা প্রদেশেও তাঁর প্রভাব ব্যাপ্ত হয়ে পড়ে। এতে ঈর্ষান্বিত হয়ে স্থানীয় ধর্মব্যবসায়ীরা একদিন তাঁকে বিষমিশ্রিত লাড্ডু খেতে দেয়। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে ১৩০৬ সালের ২২ জ্যেষ্ঠ পরলোক গমন করেন। যা উদ্দীপকের বিরাজ বাবুর জীবনাদর্শের সঙ্গে পুরাপুরি সাদৃশ্যপূর্ণ। এজন্য বলার অপেক্ষা রাখে না যে, পাঠপুস্তকের শ্রীবিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর জীবনাদর্শের প্রতিফলনই হচ্ছে বিরাজ বাবুর জীবনাদর্শ।

5 views

Related Questions