1 Answers

উদ্দীপকে যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, সেটি হলো ব্যাংক। উদ্দেশ্য ও কার্যাবলির ভিত্তিতে ব্যাংকসমূহকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। যথা- কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

১. কেন্দ্রীয় ব্যাংক: কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি দেশের সর্বোচ্চ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এ ব্যাংক দেশের অর্থবাজার, মুদ্রাব্যবস্থা এবং অন্য ব্যাংকসমূহকে তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করে। দেশের সার্বিক ব্যাংক ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে বলেই এর নাম কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দেশের কাগজি মুদ্রা প্রচলনের একমাত্র অধিকারী হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ব্যাংক সরকারের প্রতিনিধি ও আর্থিক পরামর্শদাতা হিসেবেও কাজ করে।

২. বাণিজ্যিক ব্যাংক : বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ বাণিজ্যিক লাভের উদ্দেশ্যে স্বল্পমেয়াদি ঋণ প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশে বহু বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। যেমন- সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক প্রভৃতি।

৩. বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: বিশেষ লক্ষ্য অর্জনে আমাদের দেশে কতিপয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ ব্যাংকসমূহকে বলা হয় বিশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। যেমন- শিল্প উন্নয়নের জন্য শিল্প ব্যাংক, কৃষি উন্নয়নের জন্য কৃষি ব্যাংক, গৃহনির্মাণ ঋণ মঞ্জুরির জন্য গৃহনির্মাণ ঋণদান সংস্থা, সমবায় কার্যক্রমে ঋণদান ও জনগণকে সমবায়ী মনোভাবসম্পন্ন করার লক্ষ্যে সমবায় ব্যাংক, দরিদ্র জনসাধারণকে ক্ষুদ্রঋণ প্রদানের লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংক প্রভৃতি।

4 views

Related Questions