1 Answers

বাংলাদেশে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার প্রাধান্যসহ মিশ্র অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান। যার সাথে মি. 'ক'-এর দেশের সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার সাদৃশ্য নেই।

স্বাধীনতার পর থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাও নানারকম সংস্কার এবং পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে চলেছে। বর্তমানে দেশে ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রাধান্যসহ মিশ্র অর্থনৈতিক অবস্থা বিদ্যমান। এক্ষেত্রে সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার কোনো প্রভাব নেই। তবে প্রধান প্রধান শিল্প, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের অন্তর্ভুক্ত। অবশ্য বর্তমানে অর্থনীতির প্রায় সব খাত ক্রমশ বেসরকারি উদ্যোগের নিয়ন্ত্রণাধীনে চলে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক ব্যবস্থার আর একটি বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে বেসরকারি উদ্যোগ সম্প্রসারণের সাথে সাথে বাজার অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে। যা সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার সম্পূর্ণ বিপরীত। আমাদের দেশে উৎপাদনের জন্য যে মূলধন বা পুঁজি প্রয়োজন, তা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকেই বেশিরভাগ সংগৃহীত হয়। তবে বৈদেশিক ঋণ, সাহায্য, অনুদান এবং ব্যক্তিগত পুঁজিও এক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অর্থাৎ দেশে উৎপাদন ও বণ্টন প্রক্রিয়ায় সরকারি ও বেসরকারি খাতের সহাবস্থান রয়েছে। দেশে বেসরকারি খাত ক্রমশ সম্প্রসারিত হচ্ছে। ফলে উদ্যোক্তা ও ভোগকারীর স্বাধীনতা আছে। যেকোনো উদ্যোক্তা বা উৎপাদনকারী যেকোনো দ্রব্য যেকোনো পরিমাণ উৎপাদন করতে পারে। এই উৎপাদন কার্য অবশ্য সর্বাধিক মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য দ্বারা পরিচালিত হয়। তাই বাংলাদেশের অর্থব্যবস্থার সাথে সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যায় না।

4 views

Related Questions