1 Answers

উদ্দীপকের জাইমা জাতিসংঘ ও তার অঙ্গ সংস্থা সম্পর্কে জেনেছে।

বাংলাদেশের, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে জাতিসংঘ ও এর অঙ্গ সংস্থাসমূহের সাথে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বিদ্যমান। জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গ সংস্থা যেমন- ইউনিসেফ, ইউনেস্কো, ইউনিফ্রেম, WHO, UNDP প্রভৃতি বাংলাদেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সাংস্কৃতিক উন্নয়ন এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, মাতৃ ও শিশু স্বাথ্যের উন্নয়ন, জনসংখ্যার উন্নয়ন, দেশের উন্নয়নে প্রাক-কারিগরি সহযোগিতা ইত্যাদি ক্ষেত্রে সহযোগিতা করে থাকে। FAO, IFAD কৃষি উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তায় সহযোগিতা করে। বিশ্বব্যাংক, IMF বাংলাদেশের উন্নয়নমূলক কাজে প্রচুর সহযোগিতা করে থাকে। এছাড়াও আর্থসামাজিক উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং শিল্প-বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা ইত্যাদি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সহায়তা পেয়ে থাকে।

উদ্দীপকে জাইমা তার ক্লাসে শিক্ষকের আলোচনার দ্বারা একটি বিশ্বসংস্থার কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে পেরেছে যে এই সংস্থার অঙ্গসংস্থাগুলো বাংলাদেশের মানুষের আর্থসামাজিক, উন্নয়নসহ শিশু অধিকার ও খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। যা দ্বারা বাংলাদেশে জাতিসংঘের সংস্থার কার্যক্রমকে নির্দেশ করছে।

উপরিউক্ত আলোচনার মাধ্যমে বলতে পারি, জাতিসংঘের এসব অঙ্গ. সংস্থার কার্যক্রম দ্বারা বাংলাদেশের আর্থসামাজিক শিশু অধিকার ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছে।

5 views

Related Questions

যুদ্ধ, নিপীড়ন, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বাঁচতে আজ সারা বিশ্বে ৮ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। বাস্তুচ্যুত মানুষের এ সংখ্যাা বাংলাদেশের জনসংখ্যা র প্রায় অর্ধেক । সারা বিশ্বের বাস্তুচ্যুতির প্রধান পাঁচটি উৎসদেশের একটি হচে।ছ মায়নমার। সেখান থেকে ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় দেয়। এই শরণার্থীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়: কিনুত তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা – এসব কিছুই সম্ভব নয় আন্তর্জাতিক মহলের একট সার্বিক উদ্যোগ ছাড়া। তার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ তাদের সুরক্সা, সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নোয়াখালীর ভাসানচরে তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা একটি স্বতন্ত্র আবাসস্থল নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রত্যেক শরণার্থীর রয়েছে ব্যক্তিগত দুঃখ –কষ্ট , বঞ্চনা ও যন্ত্রণার ইতিহাস। বাংলাদেশে আশ্রিত এসব রোহিঙ্গা নিয়মিত সংগ্রাম করে যাচ্ছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তারা আশাবাদী, একদিন তারা নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যেতে পারবে। (Translate to English)
1 Answers 8 Views