1 Answers

জাতিসংঘ একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এটি বিশ্বের প্রতিটি দেশে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

উদ্দীপকে জাতিসংঘ কর্তৃক মানবাধিকার ঘোষণা এবং নারীদের জন্য ঘোষিত সনদের কথা তুলে ধরা হয়েছে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও জাতিসংঘের অঙ্গ সংস্থাগুলো কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে জাতিসংঘের কতিপয় অঙ্গসংস্থাগুলো কাজ করছে। যেমন- ২০১৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ইউএনডিপি মিলেনিয়াম • উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) ৮টি অর্জনে কাজ করছে। জাতিসংঘ শিশু তহবিল বা ইউনিসেফ দেশের সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও মেয়ে শিশুদের মৌলিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে বিশেষত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা ইউনেস্কো বাংলাদেশের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে। জাতিসংঘের খাদ্য এবং কৃষি সংস্থা বা এফএও বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিশ্চিত করার কাজ করছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও স্বাস্থ্যক্ষেত্রে বাংলাদেশে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। উদ্বাস্তু বিষয়ক জাতিসংঘ হাইকমিশনারের কার্যালয় বাংলাদেশ-মিয়ানমার রোহিঙ্গা ইস্যুতে মধ্যস্থতা করছে। জাতিসংঘ নারী উন্নয়ন তহবিল বাংলাদেশে নারীদের উন্নয়নে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করছে। জাতিসংঘের জনসংখ্যা কার্যক্রম তহবিল বাংলাদেশের জনসংখ্যা পরিস্থিতি উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

কাজেই পরিশেষে বলতে পারি, বাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নে জাতিসংঘের কার্যাবলি অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

4 views

Related Questions

যুদ্ধ, নিপীড়ন, সহিংসতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে বাঁচতে আজ সারা বিশ্বে ৮ কোটি ২০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত। বাস্তুচ্যুত মানুষের এ সংখ্যাা বাংলাদেশের জনসংখ্যা র প্রায় অর্ধেক । সারা বিশ্বের বাস্তুচ্যুতির প্রধান পাঁচটি উৎসদেশের একটি হচে।ছ মায়নমার। সেখান থেকে ২০১৭ সালে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় দেয়। এই শরণার্থীরা তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে চায়: কিনুত তাদের নিরাপত্তা, মর্যাদা এবং মায়ানমারের নাগরিক হিসেবে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা – এসব কিছুই সম্ভব নয় আন্তর্জাতিক মহলের একট সার্বিক উদ্যোগ ছাড়া। তার পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ তাদের সুরক্সা, সহায়তা ও নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে নোয়াখালীর ভাসানচরে তাদের জন্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা একটি স্বতন্ত্র আবাসস্থল নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের একটি অংশ সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রত্যেক শরণার্থীর রয়েছে ব্যক্তিগত দুঃখ –কষ্ট , বঞ্চনা ও যন্ত্রণার ইতিহাস। বাংলাদেশে আশ্রিত এসব রোহিঙ্গা নিয়মিত সংগ্রাম করে যাচ্ছে মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তারা আশাবাদী, একদিন তারা নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যেতে পারবে। (Translate to English)
1 Answers 8 Views