1 Answers
উদ্দীপকে জাতিসংঘের কথা বলা হয়েছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বাংলাদেশের আর্থিক অবদান কম হলেও বাংলাদেশের সৈন্যরা প্রাণ উৎসর্গ করে শান্তিরক্ষা মিশন পরিচালনায় কার্যকরী ভূমিকা রাখছে। ১৯৭৯-৮০ এ সময়ের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশের নির্বাচন তার এ ভূমিকার স্বীকৃতি এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের আস্থার স্বাক্ষরবাহী। ১৯৮৪ সাল থেকে জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার আমাদের জন্য খুবই গৌরবের, ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। বিবাদের শান্তিপূর্ণ মীমাংসায় জাতিসংঘ ঘোষিত নীতি অনুসরণ করে বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানি বণ্টন বিষয়ক দীর্ঘকালের সমস্যা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার সুষ্ঠু সমাধানে সফল হয়েছে। আফ্রিকার এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের কারণে অন্যান্য দেশের সৈন্যরা যেখানে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছিল না সেখানে বাংলাদেশি সৈন্যরা শুধু গ্রহণযোগ্যতা নয়, পেয়েছে স্থানীয় মানুষের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা। সিয়েরা লিওনে বাংলা ভাষা পেয়েছে সেই দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা, আইভরিকোষ্টে অন্যতম ব্যস্ত সড়কের নাম হয়েছে বাংলাদেশ সড়ক।
উপরিউক্ত আলোচনার মাধ্যমে বলতে পারি, উদ্দীপকের জনাব 'ক' জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত থেকে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন।