1 Answers

পৃথা ও তার মা আত্মীয় বাড়ি যাওয়ার পথে রিক্সার জন্য অপেক্ষা করছে। এমন সময় এক ভিক্ষুক এসে ভিক্ষা চাইল। পৃথার মা তাকে ভিক্ষা দিলেন। আরও কয়েকজন ভিক্ষুক এগিয়ে এল। সবাইকে ভিক্ষা দেওয়ার পর তাদের রিক্সা ভাড়ার কোনো টাকা নেই। এখন তারা পায়ে হেঁটেই আত্মীয় বাড়ি পৌঁছলেন। একটু কষ্ট হলেও মানুষের জন্য কিছু করতে পেরে তারা আনন্দিত হলেন। কৃষ্ণভক্ত রাজা রন্তিবর্মা অযাচকবৃত্তি গ্রহণ করেন। অযাচকবৃত্তি হলো কারও কাছে কিছু চাওয়া যাবে না, লোক ইচ্ছে করে কিছু দিলে তা দিয়েই জীবনযাপন করতে হবে। উপবাসের ঊনপঞ্চাশতম দিবসে এক ভক্ত তাঁকে খাবার দিয়ে গেলেন। উপবাস ভঙ্গের সময় এক ভিক্ষুক উপস্থিত, সাথে একটি কুকুর। রাজা রন্তিবর্মা ক্ষুধার্ত ভিক্ষুক ও কুকুরটিকে তাঁর ভিক্ষার সব খাবার দিয়ে দিলেন। ভিক্ষুক জানাল, তার পেট ভরে নি। রাজা রন্তিবর্মা হাত জোড় করে জানালেন, তাঁর কাছে আর কিছুই নেই। এরই নাম মানবতা।

মানবতাই ধর্ম। মানবতা গুণের দ্বারা মানুষের মহত্ত্ব প্রকাশ পায়, অন্যের উপকার হয়। রাজা রন্তিবর্মার মানবতার দিকটিই পৃথা ও তার মায়ের আচরণে প্রতিফলিত হয়েছে। তাই বলা যায়, পৃথা ও তার মায়ের অনুভূতি যেন রন্তিবর্মার অনুভূতিরই প্রতিফলন।

5 views

Related Questions