1 Answers
"উদ্দীপকের অভিযাত্রিকের জয়গৌরব যেন 'রানার' কবিতার রানারের মহৎ কাজের প্রতিফলন।"- উক্তিটি যথার্থ।
পেশাগত জীবনে মানুষ ন্যায় ও সততার পরিচয় দিয়ে দীনহীন অবস্থায় থেকেও আত্মতুষ্টি লাভ করে। চলার পথে মানুষ বাধা-বিঘ্ন এলেও হার মানে না। দুঃখ, বেদনা, অভিমান পেছনে ফেলে ছুটে চলে মহতের দিকে।
উদ্দীপকের অভিযাত্রিকের চলার পথ দুর্গম। সেই দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে সে জয় ছিনিয়ে আনতে চায়। নিজ জীবনের সুখ বিসর্জন দিয়ে সে এগিয়ে চলে সামনের দিকে। পাড়ি দেয় বন্ধুর পথ। কবিতায় রানার ছোটে খবরের বোঝা পিঠে নিয়ে। রাতের চলার পথে সে কোনো নিষেধ মানে না। নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছানোর তাগিদে রানার ছুটে চলে জোরে, আরও জোরে। উদ্দীপকের অভিযাত্রিকের পথ চলা যেমন মহৎ উদ্দেশ্যে তেমনই রানারের পথ চলাও মানবকল্যাণে। দায়িত্বশীলতার দিকে রানার দুর্গম পথ, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়াকে কোনো বাধাই মনে করে না।
'রানার' কবিতায় শ্রমজীবী মানুষ রানারের ছুটে চলা বর্ণিত হয়েছে। তার কাজ গ্রাহকদের কাছে প্রয়োজনীয় চিঠিপত্র ও টাকা-পয়সা পৌছে দেওয়া। এই মহৎ কাজের প্রতিফলন ঘটেছে উদ্দীপকের কবিতাংশে। মহৎ কাজের দিক থেকে উদ্দীপকের অভিযাত্রিক এবং কবিতার রানার এক ও অভিন্ন। তাই বলা যায়, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।