1 Answers
উদ্দীপকের চরণগুলোতে প্রকাশিত ভাবের সঙ্গে 'রানার' কবিতার রানারের চলার পথের বৈশিষ্ট্য প্রতিফলিত হয়েছে। জীবনধারণ করতে মানুষকে কাজ করতে হয়। কাজ ছোট কিংবা বড় কোনো বিষয় নয়। কাজে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়াই মুখ্য বিষয়। দায়িত্বশীলরা সব বাধা অতিক্রম করে সামনের এগিয়ে যান। তাই কাজের প্রতি অনুরাগীরা জীবনে সাফল্য অর্জন করেন।
উদ্দীপকে দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে জয় ছিনিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে। নিজের ক্লান্তি, ক্ষয়ক্ষতি সব পেছনে ফেলে লক্ষ্যে পৌছানোর প্রবণতা উদ্দীপকে বিদ্যমান। বাস্তবে প্রতিদান না পেলেও তাদের পরিচয় লিখে রাখে মহাকাল। 'রানার' কবিতার রানারও নতুন খবর নিয়ে ছুটে চলে শহরের দিকে। নিজের কষ্ট ম্লান হয়ে যায় অন্যের সুখের পানে চেয়ে। এই মহৎ কাজের মূল্যায়ন হয়তো রানার পায় না, কিন্তু তাতে থেমে থাকে না রানারের পথচলা। রানারের চলার পথের এই দিকটি উদ্দীপকেও বিদ্যমান। এভাবেই উদ্দীপকের চরণগুলোতে 'রানার' কবিতার রানারের চলার পথের সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়।