1 Answers

সজীবের কাজগুলো ধর্মের বাহ্য লক্ষণের পর্যায়ে পড়ে।

ধর্মের কতগুলো লক্ষণ রয়েছে। এগুলো ধারণ করে জীবনপথে চলতে পারলে পশুপ্রবৃত্তির বিনাশ ঘটে এবং মানুষ সুন্দরভাবে জীবন পরিচালনা করতে পারে। উদ্দীপকে দেখা যায়, সজীব সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত। তার ন্যায় পথে চলা, অপরের কোনো কিছু না বলে নেওয়া থেকে বিরত থাকা এবং লোভকে আয়ত্ত রাখার মধ্য দিয়ে সে ধর্মের বাহ্য লক্ষণগুলোর বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছে। ধর্মের চারটি বিশেষ লক্ষণ ছাড়াও দশটি বাহ্য লক্ষণও রয়েছে। মনুসংহিতায় ধর্মের দশটি বাহ্য লক্ষণের কথা বলা হয়েছে যার মধ্যে ধর্মের স্বরূপ প্রকাশ পেয়েছে-

'ধৃতিঃ ক্ষমা দমোহস্তেয়ং শৌচমিন্দ্রিয়-নিগ্রহঃ।
 ধীর্বিদ্যা সত্যমক্রোধো দশকং ধর্মলক্ষণম্।'

অর্থাৎ সহিষ্ণুতা, ক্ষমা, দয়া, চুরি না করা, শুচিতা, ইন্দ্রিয়সংযম, শুদ্ধ বুদ্ধি, জ্ঞান, সত্য এবং ক্রোধহীনতা এ দশটি লক্ষণের মধ্য দিয়ে ধর্মের স্বরূপ প্রকাশ পায়। এসব লক্ষণ ধারণ করে জীবনপথে * চলাই সকলের কর্তব্য। এর দ্বারা ঈশ্বরের কৃপা লাভ করা যায়। সজীবের কাজগুলো ধর্মের উক্ত বাহ্য লক্ষণের পর্যয়েই পড়ে।

4 views

Related Questions