1 Answers
উদ্দীপকে ক্রীড়ামন্ত্রী অষ্টাঙ্গ যোগের কথা বলেছেন। এর প্রথম দুটি ধাপ হচ্ছে যম ও নিয়ম। নিচে এগুলো পাঠ্যবইয়ের আলোকে আলোচনা করা হলো-
১. যম: 'যম' শব্দটি মূলত সংযম অর্থ প্রকাশক। মোক্ষলাভের সাধক দৈনন্দিন জীবনে আচার-আচরণে সংযমী হবেন। তাকে অহিংস, সত্য, অন্তেয়, ব্রহ্মচর্য ও অপরিগ্রহ- এ পাঁচটি বিষয়ে অনুশীলন করতে হবে। দেহ, মন ও বাক্যের দ্বারা কোনো জীবকে হত্যা না করা বা নির্যাতন না করাকে বলে অহিংস। যোগী পুরুষ বাক্যে কর্মের সত্যনিষ্ঠ হবেন। কখনো মিথ্যার আশ্রয় গ্রহণ করবে না। আবার অস্তেয় বলতে বোঝায় অপরের জিনিস চুরি না করা। মনে যেন চুরি করার ইচ্ছাও না জাগে। সে সঙ্গে ব্রহ্মচর্য অবলম্বন করতে হবে। বিনা প্রয়োজনে কোনো দ্রব্য গ্রহণ করা যাবে না, একে বলা হয় অপরিগ্রহ।
২. নিয়ম: শৌচ, সন্তোষ, তপস্যা, স্বাধ্যায় ও ঈশ্বর প্রণিধান-এ পাঁচটি অনুষ্ঠান নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। শৌচ দুপ্রকারের: বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ। স্নানের মাধ্যমে দেহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রেখে বাহ্যিক শৌচ লাভ হয়। আবার সৎ চিন্তা, মৈত্রী, দয়া প্রভৃতি ভাবনীর দ্বারা অভ্যন্তরীণ শৌচ লাভ হয়ে থাকে। স্বাভাবিকভাবে যা পাওয়া যায় তাতে সন্তুষ্ট থাকাই সন্তোষ। আবার শ্রদ্ধার সাথে শাস্ত্র নির্ধারিত ব্রত উদ্যাপন করাকে বলে তপস্যা। স্বধর্মের ধর্মশাস্ত্র নিয়মিত অধ্যয়ন করাই স্বাধ্যায়। ঈশ্বরকে সর্বক্ষণ চিন্তা করার নাম ঈশ্বর প্রণিধান।