1 Answers
মাঈনুদ্দীন সাহেব প্রথম জুমার দিন নামাযের পূর্বের আলোচনায় এমন একটি সূরার তাফসির করলেন যাতে কিয়ামত, জান্নাত-জাহান্নাম প্রভৃতি বিষয়ের আলোচনা রয়েছে। পাঠ্যবইয়ের আলোকে এ ধরনের সূরাকে আমরা মক্কি সূরা হিসেবে অভিহিত করতে পারি।
আমরা জানি, পবিত্র কুরআনের সূরাগুলো দুই ভাগে বিভক্ত। যথা- ১. মক্কি সূরা ও ২. মাদানি সূরা। মক্কি সূরার বৈশিষ্ট্যের মধ্যে রয়েছে- তাওহিদ ও রিসালাতের প্রতি আহ্বান, আখিরাতের বর্ণনা (কিয়ামত, জান্নাত-জাহান্নামের আলোচনা), মুশরিক ও কাফিরদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর, পূর্ববর্তী নবি-রাসুলদের জীবনী এবং তাদের অবাধ্যদের শোচনীয় পরিণতি সম্পর্কিত আলোচনা। যেহেতু মাওলানা মাঈনুদ্দীন সাহেব কিয়ামত, জান্নাত-জাহান্নাম সম্পর্কে আলোচনা করেছেন সেহেতু স্পষ্টতই বলা যায় যে, তিনি জুমার পূর্বে কোনো একটি মক্কি সূরার তাফসির করেছেন।