1 Answers

হলাসন অনুশীলনের ফলে অনিন্দ্যের মেরুদণ্ডের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখাসহ শরীর সুঠাম থাকে।

এ আসন অনুশীলনে দেহমন সুস্থ, শরীরের দৃঢ়তা আসে। শরীর ও মনের সমন্বয় ঘটে। অনিন্দ্য এ হলাসন সাধনার ফলে নিজেকে ঈশ্বর চিন্তায় নিবিষ্ট করার যোগ্যতা অর্জন করে। পা দুটো সোজা করে চিৎ হয়ে শুয়ে পড়বে। উরু, হাঁটু ও পায়ের পাতা জোড়া থাকবে। এভাবে নিয়ম অনুযায়ী অনিন্দ্য হলাসন অনুশীলন করে শবাসনে ৩০ সেকেন্ড বিশ্রাম নেয়। মেরুদণ্ডকে সুস্থ ও নমনীয় করবে এবং মেরুদন্ডের স্থিতিস্থাপকতা বজায় থাকবে। মেরুদণ্ড সংলগ্ন স্নায়ুকেন্দ্র ও মেরুদণ্ডের দুপাশের পেশি সতেজ ও সক্রিয় হবে। কোষ্ঠবদ্ধতা ও অজীর্ণ এবং পেটের যাবতীয় রোগ দূর হবে। প্লীহা, যকৃৎ, মূত্রাশয় প্রভৃতির কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করবে থাইরয়েড, টনসিল প্রভৃতি গ্রন্থি সবল হবে। পেট, কোমর ও নিতম্বের মেদ কমিয়ে দেহকে সুঠাম ও সুন্দর করবে। ডায়াবেটিস ও সায়টিক হবে না। কাঁধ শক্ত হবে না অর্থাৎ কাঁধ শক্ত হওয়ার রোগ হবে না।

4 views

Related Questions