1 Answers

উক্ত দুর্যোগটি তথা ভূমিকম্পের কারণে পৃথিবীতে বহু পরিবর্তন ও ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়।

ভূমিকম্পের ফলে ভূত্বকে অসংখ্য ফাটল ও চ্যুতির সৃষ্টি হয়। কখনো সমুদ্রতলের অনেক স্থান উপরে ভেসে ওঠে। আবার কখনো স্থলভাগের অনেক স্থান সমুদ্রতলে ডুবে যায়। অনেক সময় নদীর গতি পরিবর্তিত বা বন্ধ হয়ে যায়। উদ্দীপকের শেষ লাইনটিতে উল্লেখ রয়েছে যে, গত ৪০০০ বছরে এ দুর্যোগের কারণে পৃথিবীর প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ লোক মারা গেছে। অর্থাৎ ভূমিকম্পের কারণে যে ব্যাপক হতাহত ও ধ্বংসযজ্ঞ সংঘটিত হয় তাই এখানে বোঝানো হয়। ভূমিকম্পের ঝাঁকুনিতে পর্বতগাত্র থেকে বৃহৎ বরফখণ্ড হঠাৎ নিচে। পতিত হয় এবং পর্বতের পাদদেশে ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। ভূমিকম্পের ধাক্কায় সমুদ্রের পানি তীর থেকে নিচে নেমে যায় এবং পরক্ষণেই ভীষণ গর্জন সহকারে ১৫-২০ মিটার উঁচু হয়ে ঢেউয়ের আকারে উপকূলে এসে আছড়ে পড়ে। একে সুনামি বলে। ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভূকম্পনের ফলে সৃষ্ট সুনামির আঘাতে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ভারত প্রভৃতি দেশে ব্যাপক জানমালের ক্ষতি হয়। ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্রস্থানে দ্বীপের সৃষ্টি করে। আবার কোনো কোনো স্থানে নদীপথ বন্ধ হয়ে হ্রদের সৃষ্টি হয়। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় মহামারি ও দুর্ভিক্ষের সৃষ্টি হয়। 'টেলিফোন লাইন, বিদ্যুৎ লাইন ভেঙে যায় এবং যাতায়াত ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে।

অতএব, উপরিউক্ত আলোচনা দ্বারা ভূমিকম্পের প্রভাব সম্বন্ধে ধারণা দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে আমি মনে করি।

4 views

Related Questions