1 Answers

হ্যাঁ, আমি মনে করি, মি. ফয়সাল রহমানের ভ্রমণকৃত দ্বিতীয় দেশটির শীতকালের সাথে বাংলাদেশের শীতকালের যথেষ্ট মিল থাকলেও ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে দুটি দেশের উত্তরাঞ্চলে শীতকালে তাপমাত্রার সামান্য তারতম্য পরিলক্ষিত হয়।

পাঠ্যপুস্তক অনুযায়ী আমি মনে করি, মি. ফয়সাল রহমানের ভ্রমণকৃত দ্বিতীয় দেশটি হচ্ছে মিয়ানমার। কারণ মিয়ানমারে নভেম্বর মাস থেকে শীতকাল শুরু হয়। এ ঋতুতে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থান করায় উত্তর গোলার্ধে এশিয়ার মধ্যভাগে এক বিরাট উচ্চচাপের সৃষ্টি হয়। সেখান থেকে দক্ষিণ-পূর্বদিকের সমুদ্রে অপেক্ষাকৃত অধিক তাপযুক্ত অঞ্চলে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। ফলে উত্তর-পূর্ব আয়ন বায়ু দক্ষিণ- পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়। তখন মিয়ানমারে বেশ শীত হওয়ার কথা থাকলেও উত্তরাংশে পার্বত্য অঞ্চলের উপস্থিতির কারণে শৈত্য তত প্রকট আকার ধারণ করে না। এ বায়ুপ্রবাহ মার্চ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে এবং এ সময় উত্তর মিয়ানমারে উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাত হয় এবং তাপমাত্রা হিমাঙ্কের কাছাকাছি চলে আসে। তেমনি বাংলাদেশেও নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শীতকাল। এ সময় সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধে থাকায় সূর্যরশ্মি তীর্যকভাবে পড়ে এবং উত্তাপের পরিমাণ যথেষ্ট কমে যায়। শীতকালীন সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পরিমাণ যথাক্রমে ২৯ ডিগ্রি সে. ও ১১ ডিগ্রি সে. জানুয়ারি মাস বাংলাদেশের শীতকাল এবং এ মাসের গড় তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রি সে.। এ সময়ে দক্ষিণে সমুদ্র উপকূল থেকে উত্তর দিকে তাপমাত্রা ক্রমশ কম হয়ে থাকে। তবে মিয়ানমারের মতো বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে তাপ কমে গেলেও কোথাও তুষারপাত হয় না।

সুতরাং বলতে পারি, বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের ভ্রমণকৃত দ্বিতীয় দেশটির অর্থাৎ মিয়ানমারের শীতকালের যথেষ্ট মিল রয়েছে।

5 views

Related Questions