1 Answers
ঘটনা ২-এ বর্ণিত বৃত্তা বড়ুয়ার কর্মকাণ্ডের প্রভাবে জন্ম-জন্মান্তরে সুগতি লাভ হবে একথার সাথে আমি একমত।
ঘটনা ২- এ বর্ণিত কর্মকান্ডের সাথে পাঠ্যবইয়ের মেন্ডক শ্রেষ্ঠী কন্যা বিশাখাকে বিবাহের সময় দশটি উপদেশ দিয়েছিলেন যা সাংসারিক জীবনের প্রতিফলিত হয় এবং বিশাখা জন্ম-জন্মান্তরে সুগতি লাভ করেন।-
উপদেশ দশটি হলো-
১. ঘরের আগুন বাহিরে নিয়ো না। অর্থাৎ শ্বশুরবাড়ির কারো দোষ দেখলে তা বাইরের কাউকে বলবে না।
২. বাইরের আগুন ঘরে এনো না। অর্থাৎ প্রতিবেশী কেউ শ্বশুরবাড়ির কারো দোষের কথা বললে তা তোমার শ্বশুরবাড়ির কারো কাছে প্রকাশ করো না।
৩. যে দেয় তাকে দেবে। অর্থাৎ কেউ কিছু ধার নিয়ে ফেরত দিলে তাকে ধার দেবে।
৪. যে দেয় না তাকে দিয়ো না। অর্থাৎ যে ব্যক্তি কোনোকিছু ধার নিয়ে ফেরত দেয় না তাকে ধার দিয়ো না।
৫. যে দেয় অথবা না দেয় তাকেও দেবে। অর্থাৎ কোনো আত্মীয় গরিব হলে, ধার নিয়ে ফেরত দেওয়ার সামর্থ্য না থাকলে তাকেও ধার দিয়ো।
৬. সুখে আহার করবে। অর্থাৎ শ্বশুরবাড়ির গুরুজনদের খাওয়া সম্পর্কে খবর নিয়ে তারপর নিজের আহার গ্রহণ করবে।
৭. সুখে উপবেশন করবে। অর্থাৎ এমন স্থানে বসবে যে স্থান থেকে গুরুজনদের দেখে উঠতে না হয়।
৮. সুখে শয়ন করবে। অর্থাৎ যাবতীয় গৃহকর্ম সমাধা করে গুরুজনদের শয়নের পর শয়ন করবে।
৯. অগ্নির পরিচর্যা করবে। অর্থাৎ গুরুজন ও ছোটদের সচেতনতার সাথে প্রয়োজনীয় সেবা শুশ্রুষা করবে।
১০. শ্বশুর-শাশুড়ি ও স্বামী প্রভৃতি গুরুজনদের দেবতাজ্ঞানে ভক্তি করবে। বিবাহ অনুষ্ঠানসহ নানা সামাজিক অনুষ্ঠানে আজও এই উপদেশসমূহ প্রদান করা হয়। পারিবারিক সম্প্রীতি রক্ষার ক্ষেত্রে এ উপদেশগুলোর ভূমিকা অপরিসীম।