1 Answers

উদ্দীপকের কমলেশ বড়ুয়ার মধ্যে বোধিসত্ত্ব নামক সত্ত্বার বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়।

'বোধিসত্ত্ব' বলতে দুঃখমুক্তির পথ অন্বেষণে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সত্তাকে বোঝানো হয়। বোধি ও সত্ত্ব দুটি শব্দের সমন্বয়ে 'বোধিসত্ত্ব' শব্দটি গঠিত। এখানে 'বোধি' অর্থ হলো জ্ঞান বা প্রজ্ঞা। আর সত্ত্ব হলো সেইজন, যিনি জ্ঞান বা প্রজ্ঞা-সাধনায় নিয়োজিত। তিনি জ্ঞান অর্জনের বা দুঃখমুক্তির পথ অন্বেষণে নিজেকে উৎসর্গ করতে সমর্থ হয়েছেন। এ মহৎ লক্ষ্য অর্জনে তিনি সর্বদা প্রচেষ্টা করেন। তাই সরল অর্থে 'বোধিসত্ত্ব' হলো বুদ্ধত্ব লাভে অনুপ্রাণিত প্রজ্ঞাবান সত্ত্ব বা বোধির লালনকারী সত্ত্বই 'বোধিসত্ত্ব'।

বোধিসত্ত্ব' চেতনার উৎসাহ জাগ্রত হয় সাধনকারীর স্বতঃস্ফূর্ত অভিপ্রায় থেকে কিন্তু  আচরণ রীতি হয় অঙ্গীকারাবদ্ধ। এটি আবেগ ও কৌতূহলের বিষয় নয়। চিন্তাশীল সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সচেতনভাবে অনুশীলনের বিষয়।বৌদ্ধ ধর্ম-দর্শন মতে বহু জন্মের সুকৃতির ফল না থাকলে বোধিসত্ত্ব চেতনা জাগ্রত হয় না। 'বোধিসত্ত্ব' সাধনার পূর্ণতা অর্জিত হয় বুদ্ধত্ব লাভের মাধ্যমে। তাই 'বোধিসত্ত্বকে বলা হয় বুদ্ধাঙ্কুর এবং এরূপ চেতনা অত্যন্ত বিরল ও দুর্লভ।

5 views

Related Questions