1 Answers

জাউদ্দীপকে অর্থনীতির দুটি মৌলিক বিষয়ের (যথা- দুষ্প্রাপ্যতা ও নির্বাচন বা চয়ন) স্বরূপ প্রকাশ পেয়েছে।

অর্থনীতিতে 'দুষ্প্রাপ্যতা' বলতে সম্পদের স্বল্পতা বা অপ্রাচুর্যতাকে বোঝায়। মানবজীবনে অভাব, প্রত্যাশা, চাওয়া ও আকাঙ্ক্ষা অসীম। কিন্তু এ অসীম অভাব পূরণের ক্ষমতা তথা সম্পদ সীমিত। মানবজীবনে অসংখ্য অভাবের তুলনায় দ্রব্যসামগ্রী ও উৎপাদনের উপাদানগুলোর স্বল্পতাকে অর্থনীতিতে সম্পদের দুষ্প্রাপ্যতা বলা হয়। সম্পদের দুষ্প্রাপ্যতা থেকে অভাবের নির্বাচনজনিত সমস্যাটি উদ্ভূত। দুষ্প্রাপ্য সম্পদ দ্বারা অফুরন্ত অভাবের মধ্যে কোন কোন গুরুত্বপূর্ণ অভাবগুলো আগে পূরণ করা হবে তা চিহ্নিত করাই হচ্ছে নির্বাচন।

উদ্দীপকের হান্নান মিয়া একজন গার্মেন্টস কর্মী। তার কাছে সম্পদ হিসেবে পাঁচ হাজার টাকা আছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় অল্প। এজন্য তিনি প্রয়োজনের দিকে লক্ষ রেখে আগে সন্তানদের ঈদের পোশাক কেনেন এবং বাকি অর্থ দিয়ে বাজার করেন। কাজেই বলা যায়, তার এ কাজের মাধ্যমে সম্পদের দুষ্প্রাপ্যতা ও অভাব নির্বাচন সমস্যার প্রতিফলন ঘটেছে।

6 views

Related Questions

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার তিন বছর ধরে ৭ শতাংশের ওপরে যা নিয়ে দেশের নীতিনির্ধারকসহ বিভিন্ন মহল স্বাভাবিকভাবেই বেশ উচ্ছ্বসিত। এই উচ্ছ্বাসে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে এইচএসবিসি গ্লোবাল রিসার্চের হালনাগাদ একটি প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদন অনুসারে ২০৩০ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৬তম অর্থনীতির দেশ, এখন যে অবস্থানে আছে অস্ট্রিয়া । কিন্তু জিডিপি প্রবৃদ্ধির উচ্চ হারই শেষ কথা নয়, নয় একমাত্র অভীষ্ট। এটি অর্থনীতির আকার বা পরিমাণ নির্দেশ করে মাত্র। বরং নীতিনির্ধারক মহলের কাছে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও প্রবৃদ্ধির গুণগত দিকটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শুধু উচ্চ হারে প্রবৃদ্ধি বিশ্বের বহু দেশেই গরিবি যথেষ্ট কমাতে পারেনি, পারেনি সমাজে আয়বৈষম্য কমাতে, বরং তা বাড়িয়েছে। আসলে গরিবি কমা বা আগের তুলনায় বেশি মানুষের উন্নততর জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টি হওয়া নির্ভর করে প্রবৃদ্ধির বণ্টনের ওপর। বাংলাদেশের উচ্চ প্রবৃদ্ধি এখনো সম্পদের সুসম বা ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করতে পারেনি, তা বিভিন্নভাবে সমাজে প্রতিফলিত হয়। (Translate into English)
1 Answers 6 Views
বাংলাদেশ অমিত সম্ভাবনার দেশ। গত বিশ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির হার ৪.৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৭.৮ শতাংশের অধিক হয়েছে। একই সময়ে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২.০ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে ১.২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। দুটো উপাদান বাংলাদেশের অর্থনীতির দ্রুত প্রবৃদ্ধি ও ব্যাপক দারিদ্রা হ্রাসের পেছনে প্রধান চালিকাশক্তির কাজ করেছে। একটি হলো রপ্তানি আয়ের অব্যাহত প্রবৃদ্ধি; আরেকটি হলো প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়ের ব্যাপক প্রবাহ। উল্লেখ্য বাংলাদেশ গত দশ বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিটেন্স পেয়েছে। বিশ্বের নীতিনির্ধারকগণ বাংলাদেশকে তাই দ্রুততর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দেশের সারিতে বিবেচনা করেন। (Translate into English)
1 Answers 4 Views