1 Answers

দৃশ্যপট-১ এ অর্থনীতির 'বাণিজ্যে সবাই উপকৃত হয়' এবং 'মানুষ প্রণোদনায় সাড়া দেয়' নীতি দুটির প্রতিফলন ঘটেছে।

বাণিজ্যে সবাই উপকৃত হয়' নীতিটির মূল বিষয়বস্তু হলো ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ই বাণিজ্য হতে উপকৃত হবে। আবার অন্যদিকে, 'মানুষ প্রণোদনায় সাড়া দেয়' নীতিটি দ্বারা বোঝায়, মানুষ যদি প্রকৃত মজুরি তথ। কর্ম ক্ষেত্রে আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা বেশি পায় তাহলে কাজের স্পৃহা বাড়ে এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে দ্রব্যের গুণগত মান বৃদ্ধি পায়।

উদ্দীপকের আনিসুল হক একটি নামকরা পোশাক কারখানার মালিক। তৈরি পোশাক খাতে তার মতো এমন আরও অনেক মালিক রয়েছে। এজন্য পোশাক উৎপাদনের ক্ষেত্রে তাকে প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হতে হয়। আর এই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য আনিসুল হককে যতটুকু সম্ভব কম ব্যয়ে গুণগত মানের পোশাক তৈরি করতে হয় এবং যথাসাধ্য কম দামে পোশাক বিক্রয় করতে হয়। আবার আনিসুল হক তার পোশাক কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের স্বার্থের দিকে খেয়াল রাখেন। শ্রমিকদের দিয়ে গুণগত মানের অধিক পোশাক তৈরি করার জন্য তাদের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করেন এবং কাজের দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে শ্রমিকদের পুরস্কৃত করেন। যা শ্রমিকদের কর্মস্পৃহা বাড়িয়ে দেয়।

5 views

Related Questions

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার তিন বছর ধরে ৭ শতাংশের ওপরে যা নিয়ে দেশের নীতিনির্ধারকসহ বিভিন্ন মহল স্বাভাবিকভাবেই বেশ উচ্ছ্বসিত। এই উচ্ছ্বাসে বাড়তি মাত্রা যোগ করেছে এইচএসবিসি গ্লোবাল রিসার্চের হালনাগাদ একটি প্রতিবেদন। এই প্রতিবেদন অনুসারে ২০৩০ সালে বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৬তম অর্থনীতির দেশ, এখন যে অবস্থানে আছে অস্ট্রিয়া । কিন্তু জিডিপি প্রবৃদ্ধির উচ্চ হারই শেষ কথা নয়, নয় একমাত্র অভীষ্ট। এটি অর্থনীতির আকার বা পরিমাণ নির্দেশ করে মাত্র। বরং নীতিনির্ধারক মহলের কাছে টেকসই প্রবৃদ্ধি ও প্রবৃদ্ধির গুণগত দিকটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শুধু উচ্চ হারে প্রবৃদ্ধি বিশ্বের বহু দেশেই গরিবি যথেষ্ট কমাতে পারেনি, পারেনি সমাজে আয়বৈষম্য কমাতে, বরং তা বাড়িয়েছে। আসলে গরিবি কমা বা আগের তুলনায় বেশি মানুষের উন্নততর জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টি হওয়া নির্ভর করে প্রবৃদ্ধির বণ্টনের ওপর। বাংলাদেশের উচ্চ প্রবৃদ্ধি এখনো সম্পদের সুসম বা ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করতে পারেনি, তা বিভিন্নভাবে সমাজে প্রতিফলিত হয়। (Translate into English)
1 Answers 6 Views
বাংলাদেশ অমিত সম্ভাবনার দেশ। গত বিশ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির হার ৪.৫ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৭.৮ শতাংশের অধিক হয়েছে। একই সময়ে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২.০ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে ১.২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। দুটো উপাদান বাংলাদেশের অর্থনীতির দ্রুত প্রবৃদ্ধি ও ব্যাপক দারিদ্রা হ্রাসের পেছনে প্রধান চালিকাশক্তির কাজ করেছে। একটি হলো রপ্তানি আয়ের অব্যাহত প্রবৃদ্ধি; আরেকটি হলো প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়ের ব্যাপক প্রবাহ। উল্লেখ্য বাংলাদেশ গত দশ বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিটেন্স পেয়েছে। বিশ্বের নীতিনির্ধারকগণ বাংলাদেশকে তাই দ্রুততর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দেশের সারিতে বিবেচনা করেন। (Translate into English)
1 Answers 4 Views