1 Answers

উদ্দীপকে উল্লিখিত মিল্টনের কাজে আমার পাঠ্যবইয়ের জঙ্গিবাদ ধারণাটি প্রতিফলিত হয়েছে।

আচরণিক দৃষ্টিকোণ থেকে জঙ্গি বলতে তাদের বোঝায় যারা যুদ্ধবাজ, আক্রমণাত্মক, হিংসাত্মক এবং ধ্বংসকারী। জঙ্গিরা আক্রমণাত্মক ও হিংসাত্মক উপায়ে রাষ্ট্র বা সমাজ অননুমোদিত সংস্কারের সমর্থনে সমবেতভাবে কাজ করে। জঙ্গিরা চরম ও হিংসাত্মক পন্থার আশ্রয় নেয়। জঙ্গি কার্যক্রম এককভাবে কিংবা দলীয়ভাবেও পরিচালিত হতে পারে। জঙ্গিরা বিশেষ উদ্দেশ্য পূরণে তাদের সংগঠন প্রণীত ধর্মীয় বা রাজনৈতিক ধারণা বা দর্শন সমাজ বা রাষ্ট্রীয় জীবনে প্রবর্তন করতে চায়। উদ্দীপকে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মিল্টনকেও এরূপ চিন্তাভাবনা ও কার্যকলাপ করতে দেখা যায়।

যা স্পষ্টভাবে জঙ্গিবাদের পরিচয় বহন করে। জঙ্গিরা তাদের ধারণা প্রচারের জন্য লিফলেট, পোস্টার, পুস্তিকা প্রচারসহ বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে। তথ্যপ্রযুক্তির আধুনিক প্রচার মাধ্যমে, যেমন- ই- মেইল, ফেসবুক, টুইটার প্রভৃতি ব্যবহার করে তারা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। উদ্দীপকে মিল্টনকে এ মাধ্যমগুলো ব্যবহার করতে দেখা যায়। তারা সবসময়ই প্রকাশ করতে চায় তাদের ধারণাই সঠিক, তা রাষ্ট্র এবং সমাজ অনুমোদনপ্রাপ্ত হোক বা না হোক। রাষ্ট্রে বিদ্যমান আদর্শ, মূল্যবোধ, নিয়মনীতি, বিধিবিধান তারা মানতে চায় না। জঙ্গি কর্মকাণ্ডে তারা বোমা, সামারিক অস্ত্র এবং অনেক ক্ষেত্রে আধুনিক মরণাস্ত্র পর্যন্ত ব্যবহার করে থাকে। আবার অনেক সময় আত্মঘাতের মাধ্যমে জঙ্গি কার্যক্রম পরিচালিত হতে দেখা যায়।

 অতএব বলা যায়, মিল্টনের কাজ জঙ্গিবাদের পরিচয়কেই ইঙ্গিত করে।

5 views

Related Questions