1 Answers

তুষার মধ্যে সমাজের মানুষের সাথে সম্পর্ক রাখা' বৈশিষ্ট্যটি প্রকাশ পেয়েছে। এ সম্পর্কে বিশ্লেষণ হলো- 

> সমাজের মানুষের সাথে সম্পর্ক রাখা একটি মৌলিক প্রয়োজন, কারণ আমরা কোনোভাবেই একাকী বাস করতে পারি না। 

> আমাদের জীবন পরস্পরের উপর নির্ভরশীল। আমি একা কখনও পূর্ণ নই, আমার পূর্ণতার জন্য সমাজের মানুষের দরকার আবার আমিও সমাজের অন্যদের জীবন পূর্ণ করি।

> আমাদের জীবন আবর্তিত হয় সমাজকে কেন্দ্র করে ও আমরা আমাদের সুখ-দুঃখ, আনন্দ-উৎসব সমাজের মানুষের সাথে সহযোগিতা করি। আমাদের যেকোনো দুঃখ-শোক ও বিপদ-আপদে সমাজের মানুষই আমাদের পাশে দাঁড়ায়। উদ্দীপকে তৃষাও গরিব সহপাঠীদের লেখাপড়ায় সাহায্য করে, পিতামাতার প্রতি বাধ্যতার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও সে জনপ্রিয়।

> সমাজকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে সামাজিক প্রতিষ্ঠান, যেমনড় হাসপাতাল, ব্যাংক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার ইত্যাদি; এসব প্রতিষ্ঠান থেকে আমরা সেবা পেয়ে থাকি এবং সমাজের মানুষের সুসম্পর্কের কারণেই এসব প্রতিষ্ঠান কার্যকর হয়। আমরা সুন্দরভাবে সমাজে বাস করতে পারি। আমাদের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে পারি।

> আমাদের ব্যক্তিগত জীবন, গুণ, প্রতিভা, ব্যক্তিত্ব বিকশিত হয় সমাজকে ঘিরে। আমরা আমাদের গুণ, যোগ্যতা, দক্ষতা, শিক্ষা, অর্জিত সবকিছু দিয়েই সমাজের সব স্তরের মানুষের সেবা করি ও সেবা গ্রহণ করি। তাই সামাজিক সম্পর্ক অপরিহার্য।

> সুসম্পর্ক বজায় রেখে বাস করার মধ্য দিয়ে আমাদের ব্যক্তিত্বের পরিপক্বতা প্রকাশ পায়। সত্যিকার অর্থে আমাদের অর্জিত শিক্ষাদীক্ষা ও দক্ষতার সার্থকতা প্রকাশ পায় সমাজের মানুষের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা ও সমঝোতাপূর্ণ জীবনযাপন করার মধ্য দিয়ে।

সুতরাং যীশুখ্রিষ্ট নিজে খ্রিষ্টমণ্ডলী তথা সমাজের মস্তক বা প্রধান। এ সমাজের সাথে আমাদের যুক্ত থাকতে হবে। সমাজের সাথে সম্পর্কিত থাকা মানে আমরা খ্রিষ্টেরই সাথে যুক্ত আছি এবং তাতে আমরা জীবন্ত থাকি ও ফলশালী হই। 

মূলকথা: খ্রিষ্টীয় বিশ্বাসের জীবনে সমাজ তথা খ্রিষ্ণমণ্ডলী খ্রিষ্টের উপস্থিতির প্রতীক।

4 views

Related Questions