1 Answers
উদ্দীপকে আঃ হান্নান সাহেবের কর্মকান্ডে আমানতদারিতা প্রকাশ পেয়েছে, যা একজন মুমিনের জন্য আবশ্যক। সাধারণত কারও নিকট কোনো অর্থসম্পদ, কথা গচ্ছিত রাখাকে আমানত বলে। তবে ব্যাপকার্থে শুধু ধন-সম্পদ নয় বরং যেকোনো জিনিস গচ্ছিত রাখাকে আমানত বলে। আমানত রক্ষা করা আখলাকে হামিদাহর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। সচ্চরিত্র ব্যক্তির মধ্যে আমানতদারি বিদ্যমান থাকা জরুরি। আমানত রক্ষা করা আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন-
إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُ كُمْ أَنْ تُوَدُّ الْاَ مَنْتِ إِلَى أَهْلِهَا
অর্থ : “নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের আদেশ দিচ্ছেন আমানতসমূহ তার মালিকের নিকট প্রত্যর্পণ করতে।" (সূরা আন-নিসা : ৫৮)
আমানত রক্ষা করা একজন মুমিনের আবশ্যক গুণ। মহানবি (স.) বলেছেন - لَا إِيْمَانَ لِمَنْ لَّا أَمَانَةَ لَهُ
অর্থ : “যার মধ্যে আমানতদারি নেই, তার ইমান নেই।” (মুসনাদে আহমাদ) আমানতের খিয়ানত করা মুনাফিকের আলামত। খিয়ানতকারী মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস ভঙ্গ করে। লোকে তাকে ঘৃণা করে। ব্যবসায় বাণিজ্যে, লেনদেনের ক্ষেত্রে কেউ আগ্রহী হয় না। আমানতদারিতার অভাব অর্থাৎ খিয়ানত পার্থিব জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনে। রাসুল (স.) বলেছেন, আমানতদারি সচ্ছলতা ও খিয়ানত দারিদ্র্য ডেকে আনে।
সুতরাং বলা যায়, আমানতদারি মানুষের জন্য অতি আবশ্যক।