1 Answers
ওয়াসিমের কর্মকাণ্ডে আখলাকে হামিদার কর্তব্যপরায়ণতার গুণটি পরিলক্ষিত হয়।
আখলাকে হামিদাহর অন্যতম হলো কর্তব্যপরায়ণতা। মানুষের সার্বিক উন্নতি ও সফলতার জন্য এর কোনো বিকল্প নেই। কর্তব্যপরায়ণতা হলো যথাযথভাবে কর্তব্য আদায় করা, দায়িত্বসমূহ পালন করা ইত্যাদি।
মানুষ হিসেবে আমাদের ওপর নানাবিধ দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। এসব দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সতর্ক ও সচেতন থাকা, সময়মতো সুন্দর ও সুচারুভাবে এগুলো পালন করা এবং এক্ষেত্রে কোনোরূপ অবহেলা বা উদাসীনতা প্রদর্শন না করাকেই কর্তব্যপরায়ণতা বলা হয়। মহান আল্লাহ বলেন, "প্রত্যেকে যা করে তদনুসারে তার স্থান রয়েছে এবং তারা যা করে সে সম্বন্ধে তোমার প্রতিপালক অনবহিত নন।” (সূরা আল-আনআম : ১৩২)
প্রদত্ত উদ্দীপকের ওয়াসিম পিতার মৃত্যুর পর সংসারের ভার নিজ কাঁধে নেন। তাছাড়া ছোট ভাইবোনদের কল্যাণে নিঃস্বার্থ কাজ করেন, যা আখলাকে হামিদাহর কর্তব্যপরায়ণতার শামিল।
কর্তব্যপরায়ণতা মুমিনের অন্যতম গুণ। মুমিন ব্যক্তি তার সকল কর্তব্য সম্পাদন করেন। আল্লাহ তায়ালার ইবাদত করার পাশাপাশি তিনি বাস্তবজীবনের সব দায়িত্ব ও কর্তব্যও পালন করেন। আল্লাহ তায়ালা তাঁর একনিষ্ঠ বান্দাদের পরিচয় দিয়ে বলেছেন, “তারা কর্তব্য পালন করে এবং সেদিনের ভয় করে যেদিনের অনিষ্ট হবে ব্যাপক।” (সূরা আদ-দাহর : ৭)
কর্তব্য কাজে, অবহেলা করলে পরকালে সেজন্য জবাবদিহি করতে হবে। একটি হাদিসে মহানবি (স.) বলেছেন,
كُلُّكُمْ رَاعٍ وَكُلُّكُمْ مَسْئُولٌ عَنْ رَعِيَّتِهِ
অর্থ: "তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল। আর তোমাদের প্রত্যেকেই তার দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে।” (বুখারি)
সুতরাং আমরা কর্তব্যপরায়ণ হতে সচেষ্ট হব এবং দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা লাভ করব।