1 Answers

উদ্দীপকে আলোচিত তৃতীয় সঙ্গীতির ফলাফল ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। অবিনয়ী তীর্থিক বা সন্ন্যাসীগণ অধর্মে ধর্ম, ধর্মকে অধর্ম প্রচারকালে বিনয়ী ভিক্ষুগণের সাথে তাদের মতবিরোধী দেখা দেয়। বৌদ্ধধর্মে অস্থিরতা বিরাজ করে। তাই সম্রাট অশোক যে সভা আহ্বান করেন তা তৃতীয় সঙ্গীতি নামে পরিচিত। তৃতীয় সঙ্গীতি মগধের রাজধানী পাটলীপুত্রের অশোকারামে অনুষ্ঠিত হয়। সম্রাট অশোক বৌদ্ধধর্মের প্রচার-প্রসারে ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতা করেন। তাছাড়া তৃতীয় সঙ্গীতি সমাপ্ত হলে বৌদ্ধধর্ম প্রচারের জন্য বিভিন্ন দেশে ধর্মদূত প্রেরণ করেন। মোগগলীপুত্র তিষ্য স্থবির প্রকৃত বৃদ্ধবাণী সংকলনের জন্য তৃতীয় সঙ্গীতি আহ্বান করেন।

এ সঙ্গীতের মাধ্যমে ছদ্মবেশী অবিনয়ী ভিক্ষুদের সঙ্ঘ হতে বহিষ্কার করা হয়। সঙ্গীতিকারক সব ভিক্ষু এক বাক্যে স্বীকার করে নেন যে, প্রথম ও হয়। সঙ্গীতিতে গৃহীত ধর্ম বিনয়সমূহ যোগম বন্ধের মুখনিঃসৃত বাণী দ্বিতীয় সজী। প্রথম হয়েছিল সেগুলো তৃতীয় সঙ্গীতিতে আবার অনুমোদিত হয়। তৃতীয় সঙ্গীতিতে প্রথম সঙ্গীতিতে আবৃত্তিকৃত বিনয়কে ঠিক রেখে ধর্মকে দুভাগে ভাগ করে সূত্র ও অভিধর্ম নামে আখ্যায়িত করা হয়। ফলে বৃদ্ধবাণী মোেট তিন ভাগে বিভক্ত হয়। যথা-বিনয়, সুত্ত ও অভিধম্ম। এ তিনটি সংকলনের পর নামকরণ করা হয় ত্রিপিটক।

5 views

Related Questions