1 Answers

উক্ত সাহিত্য অর্থাৎ অট্ঠ‌কথার গুরুত্ব অপরিসীম।

ত্রিপিটকের বিষয়বস্তু অট্ঠ‌কথা সাহিত্যের প্রধান উপজীব্য বিষয় হলেও এতে প্রসঙ্গক্রমে প্রাচীন ভারত এবং শ্রীলংকার ধর্ম-দর্শন, সমাজ, সাহিত্য, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, রাজনীতি, ভূগোল প্রভৃতি বিষয় আলোচিত হয়েছে। তাই অকথাকে প্রাচীন ইতিহাস রচনার গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে গণ্য করা হয়। অট্ঠ‌কথাসমূহে সাধারণত ত্রিপিটকের বিষয়বস্তুই ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ফলে অঠকথার সাহায্যে সহজে এবং যথাযথভাবে বুদ্ধবাণী বোঝা যায়। তাছাড়া, কালের বিবর্তনে বা অন্য কোনো কারণবশত ত্রিপিটকের বিষয়বস্তুতে সংযোজন-বিয়োজন বা পরিবর্তন পরিবর্ধন ঘটেছে কি না তা সহজে নির্ণয় করা যায়। ত্রিপিটক অনুবাদের ক্ষেত্রেও অট্ঠ‌কথা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ত্রিপিটকে বহু দুর্বোধ্য এবং জটিল বিষয় রয়েছে, যা অনুবাদ করার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়। কারণ, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ত্রিপিটকের অনেক শব্দ দুর্বোধ্য রূপ পরিগ্রহ করেছে। কিন্তু অট্ঠ‌কথায় সেসব জটিল ও দুর্বোধ্য শব্দের যথাযথ ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। এ কারণে অট্ঠ‌কথার সাহায্যে যথাযথভাবে ত্রিপিটক এবং পালি সাহিত্য অনুবাদ করা যায়।

4 views

Related Questions