1 Answers
আলোচ্য উদ্দীপকে উচ্ছ্বাসের মা একজন পুরোহিতের অনেকগুলো গুণাবলির কথা বলেন, যার মধ্যে রয়েছে-
১. হিন্দুধর্মাবলম্বী যেকোনো বর্ণের পৌরহিত্য করার সামর্থ্য অর্জন।
২. সংস্কৃত ভাষা লেখা ও পড়ার মতো জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন।
৩. হিন্দুধর্ম সম্পর্কে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান থাকা।
৪. নিত্যকর্ম ও পূজাবিধি সম্পর্কে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান ও ধারণা থাকা।
৫. ধর্মশাস্ত্রের এবং শাস্ত্রীয় রীতিনীতি ও প্রথার ওপর অভিজ্ঞতা থাকা।
৬. সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে ধর্মানুরাগী, প্রগতিশীল। ও জনসাধারণের প্রতি মমত্ববোধ থাকা।
৭. শুদ্ধভাবে মন্ত্র উচ্চারণের দক্ষতা অর্জন।
৮. বিভিন্ন পূজা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নিয়মনীতি সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা থাকা।
৯. পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা।
১০. আচরণগত দিক থেকে ধৈর্যশীল, সৎ, ন্যায়পরায়ণ এবং কথা ও কাজের সমন্বয় থাকা।
১১. শিষ্টাচারসম্পন্ন ও আদর্শ ব্যক্তিত্বের অধিকারী হওয়া।
পুরোহিত সমাজে ও সাধারণ মানুষের কাছে একজন অতি সম্মানিত ব্যক্তি। তিনি পারিবারিক ও সামাজিক পূজা-অর্চনাদি পরিচালনা করে থাকেন। আর এ কারণে তাঁকে উপরে বর্ণিত সবগুলো গুণের অধিকারী হতে হয়।