1 Answers

হিন্দু সমাজে দশবিধ সংস্কারের মধ্যে বিবাহ শ্রেষ্ঠ। আর হিন্দু বিবাহের কতকগুলো রীতিনীতি অনুসরণ করা হয়। তার মধ্যে গায়ে হলুদ অন্যতম একটি। বলা যায় এটি সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পর্ব। এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

আলোচ্য উদ্দীপকে সুমিতার আশীর্বাদের দিনেই গায়ে হলুদের দিন ধার্য করা হয়। সুমিতা ও তার বর স্ব-স্ব বাড়িতে অবস্থান করে। এসময় বর বা কনেকে একটি পাটির উপর বসানো হয়। বড়রা, ধান, দূর্বা প্রভৃতি দিয়ে আশীর্বাদ করে। সুমিতার সামনে নানা প্রকারের। পিঠা-পায়েস পুলি সাজানো হয়। সকলে এসে সুমিতাকে মিষ্টি মুখ করায় এবং সকলে মিষ্টি মুখ করে। এসময় একজন পেশাদার ফটোগ্রাফার দ্বারা ছবি তোলা হয় ও ভিডিও করা হয়। এটি মূলত একটি দেহ শুদ্ধিকরণ অনুষ্ঠান। কাঁচা হলুদের সাথে মেথি, গিলা, মুনধা, সরিষা, চন্দন প্রভৃতি থাকে। এগুলো সবই সৌভাগ্যের প্রতীক। সুদৃঢ় বিবাহিত জীবন, নবদম্পতিকর সুখ-শান্তি কামনা করাই এ অনুষ্ঠানের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য। গায়ে হলুদের সময় সকল নিকটাত্মীয় ও পাড়াপ্রতিবেশী আসে। সকলের মধ্যে সৌহার্দ ও সম্প্রীতির সৃষ্টি। G সকলে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ পেয়ে অতীতে সুখ-দুঃখ একে অপরের সাথে ভাগাভাগি করে নেয়। তাই বলা যায়, কিছু বিবাহের সামাজিক অনুষ্ঠান হিসেবে গায়ে হলুদ একটি উল্লেখযোগ্য পর্ব।

4 views

Related Questions